সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

রমজানে নারীর ইবাদত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুশতারী তাসনিম মুন্নী।।

রমজান। আত্মশুদ্ধি ও সংযমের অপর নাম। রহমত, বরকত, মাগফিরাতের মতো পুণ্য নিয়ে আসে আমাদের জীবনে। পাপ মোচন, নিজেকে শুদ্ধিকরণের অফুরন্ত সুযোগ এই রমজান।

রোজা একটি মনোদৈহিক ইবাদত। এটি যেমন পুরুষের জন্য ফরজ বিধান তেমনি নারীদের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। তবে মর্যাদার ক্ষেত্রে নারীরাই এগিয়ে।

হাদীসে এসেছে, "যদি কোনো নারী ঠিকমতো পাচঁওয়াক্ত নামাজ পড়ে, রমজান মাসে রোজা রাখে, পর্দার সাথে নিজ ইজ্জত হেফাজতে রাখে, স্বামীর আনুগত্য থাকে, তাহলে সেই নারীর জন্য আল্লাহ তায়ালা জান্নাতের আটটি দরজাই খোলা রাখবেন, ওই নারী যে দরজা দিয়ে খুশি, সেই দরজা দিয়েই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন "। (সুনানে তিরমিজি)

রমজানে নারীর ইবাদতে যে বিষয়গুলো সহায়ক হতে পারে আজ সে বিষয়গুলোই তুলে ধরছি :

কুরআন তেলাওয়াত।

কুরআন অবতীর্ণের মাস রমজান। কুরআন তেলাওয়াত নফল ইবাদতের মধ্যে স‌র্বোত্তম। তাই যতবার খুশি ততবারই আপনি কুরআন খতম দিতে পারেন। এজন্য সুযোগ করে আপনাকে সময় বের করে নিতে হবে। পুরো রমজানই একটু রুটিন মাফিক চলুন। কুরআন তেলাওয়াতের দ্বারা আপনার কলব পরিস্কার হবে।

নামাজ ঠিক রাখা।

রোজা রাখার দরুন ক্লান্তি যেনো আপনার নামাজে বাধা না হয়। অলসতা না করে আওয়াল ওয়াক্তে নামাজ আদায় করুন। নফল নামাজ সাথে রাখুন। আপনার আখিরাতের জন্য কাজে আসবে।

হারাম গুনাহ হতে দুরে থাকুন।

রমজানের পবিত্রতা রক্ষার্থে আপনি হারাম বেছে চলুন। হারাম কাজ হতে নিজেকে বিরত রাখুন। একসময় হালাল আপনার অভ্যেস হয়ে যাবে।

জবান পবিত্র রাখুন ।

পরনিন্দা, গীবত কিংবা অশ্লীল বাক্য হতে নিজেকে দুরে রাখুন। গোটা দিন না খেয়ে, আল্লাহর জন্য রোজা রাখছেন, আবার পাশের প্রতিবেশী কিংবা কাছের কারও পরনিন্দা বা গীবত করছেন, তাহলে আর রোজার পবিত্রতা রাখা হলো কই? সুতরাং নিজেকে সংযত রাখুন এবং কেউ বলতে এলে তাকেও সাবলীল ভাবে বুঝিয়ে না বলুন।

চোখের হেফাজত করুন।

আধূনিকতার ছোঁয়ায় মুঠোফোন এখন স্মার্টফোন। পুরো পৃথিবী আপনার হাতের মুঠোয়। এখানে নাটক, সিনেমা বা নাচগান ছাড়াও চোখের যেনা হবার মতো অসংখ্য পথ রয়েছে। আপনি নিজেকে এসব হতে দুরে রাখুন। তেলাওয়াত শুনুন, ইসলামী সংগীত শুনুন ভালো লাগবে।

যিকির ও দোয়ায় লিপ্ত থাকুন।

যিকির আপনার জবানের হেফাজতের জন্য সর্বোত্তম পদ্ধতি। হাটতে বসতে কাজে কর্মে আপনি যিকির করুন মনে মনে। ছোট ছোট দোয়ায় নিয়োজিত রাখুন নিজেকে। জবানের হেফাজত হবে। আত্মা সুস্থ হবে।

দান সদকা বাড়িয়ে দিন।

স্বামী ভাই কিংবা বাবা এদের অনুমতিক্রমে দান সদকা করুন। প্রতিবেশী, অসহায় স্বজন কিংবা দুয়ারে আসা ভিখারী অথবা মুসাফির। দান বা সদকা যে শুধু টাকাই দিতে হবে এমন নয়, হতে পারে পোশাক হতে পারে খ