শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক

পাকিস্তানে এবার ঈদে চাঁদ দেখা নিয়ে বিতর্ক থাকবে না: মুফতি আব্দুশ শাকুর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির মন্ত্রী মুফতি আব্দুল শাকুর বলেছেন, এ বছর পাকিস্তানজুড়ে একই দিন ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

পাকিস্তানের সামা টিভির সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, এ বছর চাঁদ দেখা নিয়ে কোনো বিতর্ক থাকবে না।

দেশে একই দিন ঈদ উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে মুফতি আবদুল শাকুর বলেন, শাওয়ালের চাঁদ দেখার প্রমাণ তিনি নিজেই মূল্যায়ন করবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, এ বছর ৮১ হাজারের বেশি পাকিস্তানি হজ করবেন। তিনি হজযাত্রীদের সুবিধার্থে হজ অপারেশন সিস্টেম উন্নত করার চেষ্টা করবেন।

উল্লেখ্য, শাওয়ালের চাঁদ দেখা নিয়ে কয়েক বছর ধরেই পাকিস্তানে ঈদুল ফিতরের আনন্দে বিঘ্ন ঘটছে।

পেশোয়ারের ঐতিহাসিক মসজিদ কাসিম আলি খান ইমাম মুফতি শাহাবুদ্দিন পোপালজাই, যিনি একটি অনানুষ্ঠানিক কমিটি পরিচালনা করেন। তিনি সাধারণত পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় রুয়েত-ই-হিলাল কমিটির সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হন না।

তিনি স্বাধীনভাবে তার সিদ্ধান্ত নেন এবং মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করেন।

গত বছর কেন্দ্রীয় রুয়েত-ই-হিলাল কমিটি শাওয়ালের চাঁদ দেখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে বিলম্ব করে। বিলম্বের কারণ হিসেবে চাঁদ দেখা নিয়ে পরস্পরবিরোধী অবস্থান নিয়েছিল।

চাঁদ নিয়ে বিরোধ পাকিস্তানে নতুন নয় এবং এই বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাবেক মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বিজ্ঞান মন্ত্রণালয় একটি অ্যাপ চালুর পর এটি আরও একটি মাত্রা পেয়েছিল। অ্যাপটির মাধ্যমে ধর্মীয় বিষয়গুলোতে হস্তক্ষেপ করার কারণে ধর্মযাজকদের ক্ষুব্ধ করেছিল।

আগের সরকারও মুফতি মুনিব-উর-রহমানকে অপসারণ করেছিল ও মতবিরোধ কমাতে মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল খাবির আজাদকে কেন্দ্রীয় রুয়েত-ই-হিলাল কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত করেছিল।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ