সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার: ইসি সচিব কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা নাটোরে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৮ ভারতে ইসলামকে শ্রেষ্ঠ ধর্ম বললেন হিন্দু মন্ত্রী মাদরাসায় কি এলিটরা আসবে? অভিনয় ছেড়ে ধর্মকর্মে ঝুঁকেছেন দুই অভিনেত্রী! মোহাম্মদপুর পূর্ব থানা কমিটি গঠন উপলক্ষে বিকেএমের দায়িত্বশীল সভা মসজিদে নববীর ধর্মীয় বিষয়ক উপপ্রধানের হাতে কুরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সম্মাননা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আজ নেপালে টানেলে আটকে থাকাদের উদ্ধারে কাজ করছে ১০ হাজার সেনা সদস্য

কোরবানির পর পশুর রক্ত ও বর্জ্য পরিষ্কারের সহজ উপায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আজ ঈদুল আজহা। ঈদের নামাজের পর থেকেই পশু কোরবানি দেওয়া শুরু হয়েছে। কোরবানি ঈদে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ পশু পশু জবাইয়ের পর রক্ত ও বর্জ্য পরিষ্কার। যদিও প্রতিবছর এ কাজ নিয়ে বড় ধরনের পরিকল্পনা থাকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের।

তাই বলে নিজের দায়িত্ব অবহেলা করলে চলবে না। সবারেই উচিত ময়লা আবর্জনা সঠিক স্থানে ফেলা ও নিজ বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা। অনেকে আছেন যারা কোরবানির পরে পশুর বর্জ্য যত্রেতত্র ফেলে রাখেন।

ফলে ওই স্থান ও এর আশপাশে দুর্গন্ধ ও রোগজীবাণু ছড়ায়। তাই সবারই উচিত যৌথভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অংশ নেওয়া। কোরবানি হয়ে যাওয়ার পরে যে বর্জ্যগুলো তৈরি হবে সেগুলোতে সঙ্গে সঙ্গে ব্লিচিং পাউডার ও অন্যান্য পরিষ্কারক দ্রব্য ব্যবহার করে পরিষ্কার করা উচিত।

এছাড়া নির্দিষ্ট স্থানে রাখা উচিত বর্জ্যগুলো। এতে পরিচ্ছন্নকর্মীরা সহজেই তা অপসারণ করতে পারবেন। কীভাবে কোরবানির পর রক্ত ও বর্জ্য পরিষ্কার করবেন তা জেনে নিন-

>> যারা নিজ বাড়িতে বা লনে কোরবানি করবেন, তাদেরকে অবশ্যই নিজ দায়িত্বে বর্জ্য পরিষ্কার করতে হবে।

>> এককভাবে কোরবানি না করে, মহল্লা ভিত্তিক একটি নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করা যেতে পারে। এতে নির্দিষ্ট এক স্থান থেকেই সম্মিলিতভাবে বর্জ্য অপসারণও সহজ হয়।

>> কোরবানির পর একই ভবনের বেশ কয়েকটি পরিবার একসঙ্গে মিলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে বর্জ্য অপসারণ দ্রুততর হয় বলে পরিবেশের ওপর তেমন প্রভাব পড়ে না।

>> জবাইকৃত পশুর গোবর ও উচ্ছিষ্ট আলাদা করে কোনো পলিথিনে মুখবন্ধ অবস্থায় রাখুন। কখনো এগুলো খোলা রাখবেন না, তাহলে দ্রুত রোগজীবাণু ছড়াবে।

>> পশু জবাইয়ের স্থানে কোরবানির পর পশুর রক্ত জীবাণুনাশক পানি দিয়ে ধুয়ে দিয়ে ব্লিচিং ছিটিয়ে দিন। এতে দুর্গন্ধ বা জমে থাকা পানিতে মশা ডিম পারতে পারবে না।

>> কোরবানির পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পশুর চামড়া বিক্রি কিংবা দান করতে হবে। না হলে গন্ধ ছড়াবে।

>> কোরবানির আগেই নিকটবর্তী মাঠ কিংবা পরিত্যক্ত জায়গায় একটা গর্ত তৈরি করে রাখা উচিত। পশুর মলমূত্র, রক্ত, আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলে গর্ত করে মাটি চাপা দিতে হবে।

>> কোরবানির শেষে পশুর মাংস রাখা পাটি পুড়িয়ে ফেলা উচিত। না হলে এখান থেকে পরে মশার উপদ্রব হতে পারে।

>> বাড়িরআশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এ সময় ঘরের ভেতরেও পরিষ্কার রাখতে হবে। মাংস ঘরে আনার পর তা কাটা ও বাছাইয়ের জন্য অনেকেই ডাইনিং রুম ব্যবহার করেন।

যে স্থানে মাংস কাটা হবে অবশ্যই সেখানে পলিথিন বিছিয়ে নিন। তার উপরে মাংস কাটা ও ভাগ করা হয়ে গেলে বেছানো শিট বা পাটি উঠিয়ে নিয়ে ওই জায়গা প্রথমে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। পরে গরম পানিতে ডিটারজেন্ট মিশিয়ে তা দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করতে হবে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ