সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মোহাম্মদপুর পূর্ব থানা কমিটি গঠন উপলক্ষে বিকেএমের দায়িত্বশীল সভা মসজিদে নববীর ধর্মীয় বিষয়ক উপপ্রধানের হাতে কুরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সম্মাননা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আজ নেপালে টানেলে আটকে থাকাদের উদ্ধারে কাজ করছে ১০ হাজার সেনা সদস্য শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ মাগুরার শ্রীপুরে জমিয়তের ১৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সংস্কৃতিচর্চার অধিকার আছে কিন্তু ধর্মচর্চার অধিকার কই? মক্কার জাদুঘরে নবম শতাব্দীর বিরল কুরআনের পাণ্ডুলিপি আরএসএস প্রধানের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা ওয়াইসির ‘৫ সেপ্টেম্বর লংমার্চের আগেই গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিন’

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাগুরার বহুল আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) রায় ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রধান আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর এ রায় দেবেন।

এর আগে ২৫ আগস্ট রায় ঘোষণার কথা থাকলেও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর তা পিছিয়ে আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক বলেন, মামলায় সাক্ষীদের জবানবন্দি, হিটু শেখের ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং মেডিকেল রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের প্রত্যাশা, বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় হাইকোর্টেও বহাল থাকবে।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয় খরচে নিয়োজিত আসামিপক্ষের আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান হিটু শেখের খালাস চেয়েছেন।

আছিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় তার বোনের শ্বশুর হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়। মামলায় আছিয়ার বড় বোন হামিদাসহ মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। পাশাপাশি হিটু শেখ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।

২০২৫ সালের ১৭ মে ট্রাইব্যুনাল প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই রায়ে আছিয়ার বোনের স্বামী সজীব শেখ, তার ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়। পরে ট্রাইব্যুনালের রায়ের চার দিনের মাথায় ডেথ রেফারেন্স হিসেবে মামলার নথিপত্র অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ