সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

তাবিজ-কবজ ব্যবহার: আল্লামা তাকি উসমানির অভিমত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।। কাউসার লাবীব ।।

বর্তমানে মানুষ কোনো একটি বিপদে পড়লেই গলায় তাবিজ-কবজ ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে দেয়। এটিকেই সমাধান মনে করে । কিছু হলেই মাওলানা সাহেবের কাছে দৌড়ে এসে বলে, হুজুর আমাকে একটি তাবিজ দিন আমি খুব বিপদে আছি বা আমি মারাত্মক কোনো রোগে ভুগছি। অথচ ইসলাম তাবিজ-কবজের বিষয় ব্যবহারের উৎসাহিত করে না।উৎসাহিত করে বিপদাপদে আল্লাহর কাছে রুজু হওয়ার প্রতি, তার কাছে কায়মনোবাক্যে দোয়া করার প্রতি।যাতে রয়েছে মনের শীতলতা ও প্রশান্তির ছোঁয়া।

অথচ আমাদের সমাজে হয়েছে এর উল্টো। যে কোন কিছুর জন্যই তাবিজ খোঁজা হয়।হযরত থানভি রহিমাহুল্লাহ এ সম্পর্কে তার নিজের একটি ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, ‘একবার এক মহিলা এসে আমাকে বলল, হযরতজী! আমার সিঁথি সোজা হয় না। দয়া করে আমাকে একটি তাবিজ দিন যেন আমার সিঁথি সোজা হয়। আমি তাকে বললাম, আরে! এটাতো কোনো তাবিজের মাধ্যমে কিভাবে সোজা হবে না। তোমার নিজেকেই এটি সোজা করতে হবে। যেমনিভাবে অন্যরা করে। কিন্তু এটি মানতে নারাজ। সে বলতে লাগল, না হযরতজী! আপনি যদি একটা তাবিজ দেন তাহলে আমি এ জটিলতার সমাধান পাবো।’

তাবিজ-কবজে প্রতি মানুষের আসক্তি এ পর্যায়ে চলে গেছে যে, তারা আজকাল ধারণা করতে বসেছে যে, ওলামায়ে কেরাম এলেম অর্জন করে শুধু তাবিজ দেওয়ার জন্য। যে তাবিজ দিতে পারে সে অনেক বড় আলেম, অনেক বড় পীর। আর যে তাবিজ-কবজ দিতে পারেনা সে তেমন আলেম নয়।তেমন ভালো লেখাপড়া করেনি। সে বসে বসে তার জীবনকে নষ্ট করে দিয়েছে সেজন্য তাবিজ দিতে পারছে না

এটি আমাদের সমাজে অনেক বড় একটি ভুল প্রচলন। আল্লাহ পাক তো বলেছেন তার কাছে বিপদাপদে রুজু করার জন্য। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করার জন্য। দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছ থেকে অনেক কিছু নেয়া যায়, পাওয়া যায় এবং সমাধান করা যায়। আর দোয়া তো এমন এক ইবাদত আপনি যদি দুনিয়াবী বিষয়েও আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, তাহলেও নেকি পাবেন। যেমন আপনি যদি বলেন, হে আল্লাহ! তুমি আমার সন্তান বাড়িয়ে দাও। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ভালো একজন স্ত্রী দান করো। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে অর্থ-সম্পদ দাও। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সুস্থ করে দাও। এসব দোয়ার ক্ষেত্রও আপনি নেকি পাবেন। অথচ তাবিজ-কবজ ব্যবহারের মধ্যে কোন নেকি নেই। তবে এটি ব্যবহার করা জায়েজ।

তাবিজ-কবজের মতো এ সাধারণ একটি বিষয় নিয়ে মানুষের কত তুলকালাম।কত আগ্রহ। হযরত গাঙ্গুহী রহিমাহুল্লাহর একটি ঘটনা আছে। একবার এক লোক তার কাছে এসে বলল, হযরতজী! আমি অনেক বড় একটি বিপদে আছি। আমাকে একটি তাবিজ দিন। তিনি বললে