সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

ইসলামী বইমেলা: লেখক প্রকাশক পাঠকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম।। পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের আয়োজনে প্রতিবছর মতো এবারও বায়তুল মোকাররাম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইসলামি বইমেলা’। ৬৪টি স্টলে সেজেছিলো এবারের ইসলামী বইমেলা। আগামীকাল শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সময় বাড়বে কি না জানা যায়নি এখনো। লেখক প্রকাশ পাঠকের মিলনমেলায় প্রাণবন্ত ছিলো এবারের বইমেলা। তবে লেখক প্রকাশ পাঠকের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি কতটুক সেটা জানতেই আজকের আওয়ার ইসলামের আয়োজন।

এবারের ইসলামী বই মেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বই বিক্রি কেন্দ্র, সমকালীন প্রকাশন, কালান্তর প্রকাশনী, রাহনুমা প্রকাশনী, বই ঘর, চেতনা প্রকাশন, মাকতাবাতুল ফোরকান, গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স, সালসাবীল পাবলিকেশন্স, ইত্তেহাদ পাবলিকেশন্স, রফরফ প্রকাশনীসহ আছে ৬৪টি স্টল। এছাড়াও ইসলামী বই মেলায় প্রথম ‘লেখক কর্নার’ চালু করেছে কর্তৃপক্ষ।

এবারের মেলা অন্যবারের তুলনায় বেশি জমজমাট হয়েছে বলে মতামত প্রকাশ করেছেন অনেকে। অনেক নতুন বইও প্রকাশিত হয়েছে। তবে মেলার পরিধি খুব ছোট হবার কারণে বইকেন্দ্রীক অনেক আয়োজন সু্ষ্ঠুভাবে করা যাচ্ছে না বলেও দাবি করছেন কেউ কেউ। তাই শুরু থেকেই ইসলামী বইমেলার পরিধি বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছেন লেখক প্রকাশক ও পাঠকেরা।

দেশের প্রসিদ্ধ দাঈ, আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বছরে দুইবার মেলা করে। এই মেলা যেভাবে জমজমাট হয়ে উঠছে, তাতে আমাদের দাবি হলো, মেলার পরিধি বাড়ানো। বাইতুল মোকাররমের পশ্চিম দিকের যে পথ, সেটা যদি মেলার জন্য ছেড়ে দেয়া হয়, তাহলে আরও অনেক স্টল আমরা বসাতে পারবো। এই দাবি বাস্তবায়নে পাঠকদের উচিত, বেশি বেশি মেলায় এসে একথা প্রমাণ করে দেয়া, এতটুকু জায়গা আমাদের জন্য যথেষ্ট নয়।

শায়েখ আহমাদুল্লাহর মতই মত প্রকাশ করেছেন, রাহনুমা প্রকাশনীর ওনার দেওয়ান মোঃ মাহমুদুল ইসলাম। তিনি বলেন, আসলে প্রত্যাশা প্রাপ্তির বিষয়টা বলতে গেলে আমরা এ বছরই প্রথম অংশ নিয়েছি ইসলামী বইমেলায়। স্টল কম থাকায় বরাদ্ধ পাওয়া যায় না। তবে বড় বড় প্রকাশকদের সম্মেলিত প্রচেষ্টা আর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ থাকলে এ বইমেলাকে আরো গোছানো ও সুন্দর করা যেতে পারে। আরো বড় পরিসরে আমরা পরিকল্পনা করতে পারি।</