শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক হাদিস শিক্ষায় উচ্চতর প্রশিক্ষণে তুরস্কের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শামায়েল নদভীর চুক্তি কুমিল্লায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজপালনকারীদের নিয়ে স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত নেপালের বন্যায় ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৯৭ বছরের বৃদ্ধা নিজ উপজেলায় সংবর্ধনা পেলেন বিশ্বজয়ী হাফেজ জাকারিয়া নেত্রকোনার বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে অপপ্রচার

চলতি সপ্তাহের মধ্যে শৈত্যপ্রবাহের আভাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আগামী ১৪ এবং ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের দুই থেকে তিনটি স্টেশনে শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আজ রোববার (১১ ডিসেম্বর) সকালে আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে আরও একটি লঘুচাপের শঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা সর্বোচ্চ নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এ লঘুচাপটি তৈরি হলেও ঘূর্ণিঝড় হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

মো. ওমর ফারুক বলেন, আগামী ১৬ বা ১৭ ডিসেম্বর লঘুচাপটি দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে। তবে বাংলাদেশে এর প্রভাব আসার সম্ভাবনা নেই। এছাড়া ডিসেম্বরের দিকে আমাদের এখানে পশ্চিমা বাতাসের জোর থাকার কারণে বেশিরভাগ লঘুচাপ বা নিম্নচাপ আসতে পারে না। তবে আমরা আশা করছি, এটি লঘুচাপ থেকেই বিদায় নেবে।

তিনি বলেন, আগামী ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা নেই। মাঝখানে সামান্য তাপমাত্রা কমলেও তা আবার বাড়বে। তবে আগামী ১৪ এবং ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দুই থেকে তিনটি স্টেশনে শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে। তবে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে আসবে না।

এছাড়া, রোববার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়া ১১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বশেষ রেকর্ড করা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সীতাকুন্ড ও শ্রীমঙ্গলে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা তুলে ধরে এ আবহাওয়াবিদ জানান, তামিলনাড়ু এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে প্রথমে নিম্নচাপ ও পরে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়। পরে এটি উত্তর অভ্যন্তরীণ তামিলনাড়ু এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ অভ্যন্তরীণ কর্ণাটক ও উত্তর কেরালা এলাকায় লঘুচাপ আকারে অবস্থান করে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ