মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

'লাইফ ইন্সুরেন্স' প্রসঙ্গে দেওবন্দের ফতোয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মানুষের স্বাভাবিক বা আকষ্মিক মৃত্যুতে পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নিশ্চয়তা প্রদানে প্রতিষ্ঠিত জীবন বীমা। এতে ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য বীমা করে। এর মধ্যে কিস্তিতে সে একটি নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম পরিশোধ করে। আমরা অনেকেই জীবন বীমা বা লাইফ ইন্সুরেন্স করে থাকি।

সম্প্রতি ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগে ইসলামের দৃষ্টিতে ইন্সুরেন্স বা জীবন বীমা জায়েজ আছে কিনা জানতে চেয়ে জৈনক এক ব্যক্তি প্রশ্ন করলে দারুল উলুমের ইফতা বিভাগ থেকে জীবনা বীমা নাজায়েজ বলে ফতোয়া দেওয়া হয়েছে।

ওই ব্যক্তি তার প্রশ্নে বলেন, একটি কোম্পানি দাঁড় করাতে আমার অনেক টাকা ঋণ হয়ে গেছে। ব্যাংক থেকেও কিছু ঋণ নিয়েছি। এখন কিছু কিছু পরিশোধ করছি। কিন্তু কখনো কখনো অন্তরে এ খেয়াল আসে। যদি কোনো দূর্ঘটনা ঘটে যায়? এমন সময় আমার এক বন্ধু একটি লাইফ ইন্সুরেন্স করার পরামর্শ দেয়।

[caption id="attachment_175956" align="aligncenter" width="300"] বই কিনতে ক্লিক করুন[/caption]

আমার বন্ধু আমাকে বলেছেন, একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রতিমাসে কোম্পানিকে কিস্তি দিতে হবে। যদি এর মাঝে কোনো দূর্ঘটনা ঘটে যায়, যেমন ইন্তেকাল হয়ে যাওয়া। তাহলে কোম্পানি থেকে বড় অংকের টাকা পাবে। আর যদি কোনো দূর্ঘটনা না ঘটে তাহলে কোম্পানি থেকে কোনো টাকাও পাবে না। আর কোনো লভ্যাংশও পাবে না। আমার জানার বিষয় হলো, এই ইন্সুরেন্স করা বৈধ নাকি অবৈধ?

এই প্রশ্নের উত্তরে দারুল উলুম দেওবন্দ বলে, আপনার বন্ধু যে পরামর্শ দিয়েছে সেটা ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক জায়েজ নেই। ইন্সুরেন্সের সিস্টেমে জুয়া এবং সুদও থাকে। আর এ উভয়টিকে পবিত্র কুরআনে হারাম করা হয়েছে। এ কারণে ইন্সুরেন্স করা জায়েজ নেই।

ফতোয়া প্রদানে- ইফতা বিভাগ, দারুল উলুম দেওবন্দ, ভারত।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ