সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

শীতে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: শীতকালে শিশুদের অসুখ বেশি হয়। ঠাণ্ডার সময়ে সর্দি, জ্বর, কাশি ও গলাব্যথা খুব সাধারণ অসুখ। শীতে শিশুদের এনার্জির দরকার হয় বেশি। যা শরীরকে ঠাণ্ডার সঙ্গে লড়ার শক্তি দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ সময় শিশুর শরীরিক যত্নের পাশাপাশি খাবারের দিকেও নজর দিতে হবে।

জেনে নিন শীতে যেসব খাবার শিশুকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে:

গাজর: গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদান শীতের সময়ে আমাদের রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। শ্বেত রক্তকণিকা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং রক্ষা করে ভাইরাল সংক্রমণ থেকে। এছাড়া গাজর হলো উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ। এটি শিশুর পাচনতন্ত্র নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।

খেজুর: খেজুর শুধু শীতে নয়, সারা বছরই শিশুকে এই ফল খেতে দিন। খেজুরে থাকে ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ম্যাগনেসিয়াম যা বাড়ন্ত বয়সে খুবই জরুরি। এসব উপাদান শীতে শিশুকে উষ্ণ থাকতে সাহায্য করে। শিশু যদি শুধু খেজুর খেতে না চায় তবে স্মুদি, মিল্কশেক, দুধ কিংবা ডেজার্টে মিশিয়েও খেতে দিতে পারেন। এই ফলের অ্যান্টি-অক্সিডেটিভ বৈশিষ্ট্য শিশুর বিপাকক্ষমতাকে উন্নত করে।

রসুন: শীতে শিশুর খাবারের তালিকায় যোগ করুন রসুন। উপকারী এই ভেষজ অ্যালিসিন সমৃদ্ধ। অ্যালিসিন হলো এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই রসুন খেলে শিশুর সর্দি-কাশি ও জ্বর তো দূর হয়ই, সেইসঙ্গে বিভিন্ন অসুস্থতাও দূরে থাকে। শীতের সময়টাতে শিশুর খাবারের তালিকায় রসুন রাখতে চেষ্টা করুন। বিভিন্ন ধরনের স্যুপ ও ডাল রান্নায় রসুনের ব্যবহার করা যেতে পারে।

মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলু শিশুর পছন্দের একটি খাবার। এতে থাকে ফাইবার, ভিটামিন এ এবং পটাসিয়াম। এসব উপাদান শীতের শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। শীতের সময়ে শিশুর খাবারের তালিকায় মিষ্টি আলু এবং মিষ্টি আলু দিয়ে তৈরি নানা পদ রাখতে পারেন।

সাইট্রাস ফল: শীতের সময়ে সাইট্রাস বা টক জাতীয় ফল বেশি পাওয়া যায়। এসময় কমলা, মাল্টা ইত্যাদি শিশুকে খেতে দিন। এই ফলগুলোতে আছে ভিটামিন সি, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এসব উপাদান শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করে। সেইসঙ্গে সুস্থ রাখে শরীরও।

সবুজ শাকসবজি: শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য তার খাবারের তালিকায় সুবজ শাক-সবজি রাখতে হবে। সুবজ শাক-সবজিতে থাকে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফোলেট, ফাইবার এবং লুটেইন। এসব উপাদান শিশুর পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে। সেইসঙ্গে প্রতিরোধ করে à¦