শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

পটুয়াখালীতে একই পরিবারের ৬৩ হাফেজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পটুয়াখালীর বাউফল ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামে শাহজাহান হাওলাদারের পরিবারের ৬৩ সদস্যই যে কোরআনের হাফেজ! সেই পরিবারকে সকলেই হাফেজ পরিবার হিসেবেই চিনে।

১৯৭১ সালে বাউফল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন শাহজাহান হাওলাদার। তার ৬ ছেলে ও ৪ মেয়ে কোরআনের হাফেজ। তাদের বংশধররাও একই পথে হাঁটছেন। যার ফলে ২ বছর আগে তাদের পরিবারে ৫৭ জন হাফেজ থাকলেও এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ জন।

শাহজাহান হাওলাদার পৈতৃক ও মামাবাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে ১২টি মাদ্রাসা ও তিনটি মসজিদ নির্মাণ করেছেন।

শাহজাহানের ছেলে হাফেজ জোবায়ের হাওলাদার বলেন, ‘আমি পঞ্চম ছেলে। বড় ভাই সৌদি আরবের জেদ্দায় থাকেন। সেখানকার একটি মসজিদে ইমামতি করেন। তার সন্তানরাও হাফেজ। আমাদের অন্য ভাই ও বোনরা তাদের সন্তানদের হাফেজ বানিয়েছেন।’

শাহজাহান হাওলাদার বলেন, ‘আমার ১১ জন নাতজামাই, তারা সবাই হাফেজ। এছাড়া আমার পরিবারের ছেলে-মেয়ে, নাতবউসহ ৬৩ জন হাফেজ-হাফেজা রয়েছেন। এর মধ্যে ৪০ জনই আন্তর্জাতিক হাফেজ। আমি সাতটা বই লিখেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাবা হাফেজদের খুব ভালোবাসতেন। ছোটবেলায় বাবা-মা মারা যায়। ফলে আমার পক্ষে হাফেজ হওয়া সম্ভব হয়নি। এজন্য আমি চিন্তা করেছি আমার সন্তানদের সবাইকে হাফেজ বানাব। তারা ইসলাম প্রচার করবে’।

বাউফল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শাজাহান হাওলাদার একজন অসাধারণ মানুষ। তিনি পরিবারের ৬৩ সদস্যকে হাফেজ বানিয়েছেন এটা আমাদের গর্বের বিষয়।’

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ