মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

পটুয়াখালীতে একই পরিবারের ৬৩ হাফেজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পটুয়াখালীর বাউফল ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামে শাহজাহান হাওলাদারের পরিবারের ৬৩ সদস্যই যে কোরআনের হাফেজ! সেই পরিবারকে সকলেই হাফেজ পরিবার হিসেবেই চিনে।

১৯৭১ সালে বাউফল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন শাহজাহান হাওলাদার। তার ৬ ছেলে ও ৪ মেয়ে কোরআনের হাফেজ। তাদের বংশধররাও একই পথে হাঁটছেন। যার ফলে ২ বছর আগে তাদের পরিবারে ৫৭ জন হাফেজ থাকলেও এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ জন।

শাহজাহান হাওলাদার পৈতৃক ও মামাবাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে ১২টি মাদ্রাসা ও তিনটি মসজিদ নির্মাণ করেছেন।

শাহজাহানের ছেলে হাফেজ জোবায়ের হাওলাদার বলেন, ‘আমি পঞ্চম ছেলে। বড় ভাই সৌদি আরবের জেদ্দায় থাকেন। সেখানকার একটি মসজিদে ইমামতি করেন। তার সন্তানরাও হাফেজ। আমাদের অন্য ভাই ও বোনরা তাদের সন্তানদের হাফেজ বানিয়েছেন।’

শাহজাহান হাওলাদার বলেন, ‘আমার ১১ জন নাতজামাই, তারা সবাই হাফেজ। এছাড়া আমার পরিবারের ছেলে-মেয়ে, নাতবউসহ ৬৩ জন হাফেজ-হাফেজা রয়েছেন। এর মধ্যে ৪০ জনই আন্তর্জাতিক হাফেজ। আমি সাতটা বই লিখেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাবা হাফেজদের খুব ভালোবাসতেন। ছোটবেলায় বাবা-মা মারা যায়। ফলে আমার পক্ষে হাফেজ হওয়া সম্ভব হয়নি। এজন্য আমি চিন্তা করেছি আমার সন্তানদের সবাইকে হাফেজ বানাব। তারা ইসলাম প্রচার করবে’।

বাউফল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শাজাহান হাওলাদার একজন অসাধারণ মানুষ। তিনি পরিবারের ৬৩ সদস্যকে হাফেজ বানিয়েছেন এটা আমাদের গর্বের বিষয়।’

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ