মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু

পটুয়াখালীতে একই পরিবারের ৬৩ হাফেজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পটুয়াখালীর বাউফল ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামে শাহজাহান হাওলাদারের পরিবারের ৬৩ সদস্যই যে কোরআনের হাফেজ! সেই পরিবারকে সকলেই হাফেজ পরিবার হিসেবেই চিনে।

১৯৭১ সালে বাউফল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন শাহজাহান হাওলাদার। তার ৬ ছেলে ও ৪ মেয়ে কোরআনের হাফেজ। তাদের বংশধররাও একই পথে হাঁটছেন। যার ফলে ২ বছর আগে তাদের পরিবারে ৫৭ জন হাফেজ থাকলেও এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ জন।

শাহজাহান হাওলাদার পৈতৃক ও মামাবাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে ১২টি মাদ্রাসা ও তিনটি মসজিদ নির্মাণ করেছেন।

শাহজাহানের ছেলে হাফেজ জোবায়ের হাওলাদার বলেন, ‘আমি পঞ্চম ছেলে। বড় ভাই সৌদি আরবের জেদ্দায় থাকেন। সেখানকার একটি মসজিদে ইমামতি করেন। তার সন্তানরাও হাফেজ। আমাদের অন্য ভাই ও বোনরা তাদের সন্তানদের হাফেজ বানিয়েছেন।’

শাহজাহান হাওলাদার বলেন, ‘আমার ১১ জন নাতজামাই, তারা সবাই হাফেজ। এছাড়া আমার পরিবারের ছেলে-মেয়ে, নাতবউসহ ৬৩ জন হাফেজ-হাফেজা রয়েছেন। এর মধ্যে ৪০ জনই আন্তর্জাতিক হাফেজ। আমি সাতটা বই লিখেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাবা হাফেজদের খুব ভালোবাসতেন। ছোটবেলায় বাবা-মা মারা যায়। ফলে আমার পক্ষে হাফেজ হওয়া সম্ভব হয়নি। এজন্য আমি চিন্তা করেছি আমার সন্তানদের সবাইকে হাফেজ বানাব। তারা ইসলাম প্রচার করবে’।

বাউফল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শাজাহান হাওলাদার একজন অসাধারণ মানুষ। তিনি পরিবারের ৬৩ সদস্যকে হাফেজ বানিয়েছেন এটা আমাদের গর্বের বিষয়।’

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ