সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

এতেকাফের দিনগুলোতে কী করবেন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি সাদেকুর রহমান

এতেকাফের দিনগুলোর আমল সমূহ:- ১. প্রত্যেক এতেকাফকারী তার কাজের জন্য নিত্যদিনের একটি রুটিন তৈরি করে নিবে।

যেমন ফজরের পর দৈনিক কতটুকু তিলাওয়াত করবে, অতঃপর অমুক অমুক ওজিফা আদায় করবে। উদ্দেশ্য হল পুরো চব্বিশ ঘণ্টার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া ও হেফাজত করা।

২. এতেকাফের দিনগুলোতে ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নাতে মুআক্কাদা ছাড়াও সুন্নাতে গায়রে মুআক্কাদা ও অন্যান্য নফলসমূহের প্রতি যত্নশীল হওয়া।কারণ এ মাসে নফল ফরজের সমতুল্য। সুতরাং মাগরিবের সুন্নতের পর ছয় রাকাত আউয়াবিন, এশার পূর্বে চার রাকাত সুন্নাতে গায়রে মুয়াক্কাদা, এশার সুন্নত আদায়ের পর দু রাকাত নফল,সাহরীর খাওয়ার আগে কিংবা পরে তাহাজ্জুদের চার থেকে বার রাকাত,বাদ ফজর ইশরাকের চার রাকাত,সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে চাশতের নামাজ , সূর্য হেলে যাওয়ার পর ২/৪ রাকাত ও সালাতুত তাসবিহ আদায়ের প্রতি ইহতেমাম করবে।

৩. এতেকাফ অবস্থায় অবসর সময়গুলোতে নফল নামাজ, তাসবীহ-তাহলীল, ইস্তেগফার, দুরুদ শরীফ পাঠ করবে ও কুরআনুল কারীম তেলাওয়াত করবে।

৪. সাধ্যের চেয়ে বেশি ইবাদত করবে না। ইবাদত করে ক্লান্ত হয়ে গেলে কিছু সময় বিশ্রাম করবে। ক্লান্ত হয়ে তন্দ্রাভাব নিয়ে ইবাদত করবে না বরং কিছু সময় বিশ্রাম ও আরাম করে উদ্যম ও একাগ্রচিত্তে ইবাদতে নিমগ্ন থাকবে।

৫. লাইলাতুল কদর পাওয়ার জন্য প্রত্যেক এতেকাফকারীকে ২১ তারিখের রাত থেকে ২৯ তারিখ রাত পর্যন্ত প্রত্যেক বেজোড় রাতগুলোকে হেফাজত করা উচিত। যদি পুরো রাত জাগ্রত থাকা সম্ভব না হয় তাহলে সিংহভাগ সময়ই জাগ্রত থাকা উচিত। যাতে এ বরকতময় রজনীর ফজিলত ও বরকত লাভ করতে পারে।

৬. লাইলাতুল কদরের নামে ঐ রাতে বিশেষ নফল নামাজ বিশেষ কিছু সুরা দিয়ে পড়া কোন হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়।

৭. কতিপয় লোক অনির্ভরযোগ্য কিতাব থেকে এ ধরণের নামাজের অগণিত ফজিলত ও সওয়াব বর্ণনা করে। যা কোন নির্ভরযোগ্য হাদীস কিংবা বর্ণনা দ্বারা প্রমাণিত নয়।

৮. প্রচলিত লাইলাতুল কদর অর্থাৎ ২৭ তারিখ রাতের পর অধিকাংশ মানুষই ইবাদত প্রতি উদাসীন হয়ে যায়। এটা মারাত্মক ভুল ও বড় আফসোসের বিষয়। কেননা লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা ২৯ তারিখেও আছে। এছাড়া রমজানের এক একটি মুহুর্ত অনেক মুল্যবান। হাদীস শরীফে রমজানের শেষদিনগুলোতে এবং শেষ রাতগুলোতে অধিক ক্ষমার সুসংবাদ এসেছে। এ কারণে শাওয়ালের চাঁদ দেখার আগ পর্যন্ত পূর্ণ ধৈর্য্য ও সবরের সাথে ইবাদতে মগ্ন থাকা উচিত।

৯. তাকবীরে উলার সাথে নামাজ আদায়ের প্রতি যত্নবান হওয়া।
১০. ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসী, চার কুল সহ অন্যান্য তাসবীহ -à