সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১২ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি জরুরি অবস্থা জারির কড়া সমালোচনা মাওলানা ফজলুর রহমানের মাহবুবা হাকিম এমপির বরাদ্দ ক্রীড়া সামগ্রী কিশোরদের মধ্যে বিতরণ নির্বাচন কমিশনার আইন নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যি হচ্ছে: ওয়াইসি ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের নির্দেশ রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন ‘পবিত্র ভূমিতে হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের’ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে জামিয়া ইমদাদিয়ার শায়খুল হাদিস চাঁদ দেখা যায়নি, জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু মঙ্গলবার

ধ্বংসযজ্ঞে ঝুঁকির মধ্যে গাজাবাসীর জীবন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মাদ শোয়াইব

গাজা শহরে বিস্তৃত ধ্বংসযজ্ঞের কারণে বহু আবাসিক ভবন ধ্বংসের পথে। উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলো এখন ঢালু ছাদ ও ঝুকপূর্ণ ভবনের মধ্যে বসবাস করছে। যেখানে প্রতিটি মুহূর্তে ধ্বংসের আশঙ্কা রয়েছে। জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তা বিপন্ন। শিশুদের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকি রয়েছে। এই পরিস্থিতি ফিলিস্তিনিদের মানবিক বিপর্যয়ের এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

ইঞ্জিনিয়ারিং মতে কোনো ভবনের ফাউন্ডেশনে যদি কোনো বিচ্যুতি দেখা দেয়, তা মানে ভবনটি ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ভাবুন, গাজায় এখন কতগুলো ভবন আছে যেগুলো পতনের পথে! কারণ, এই বাড়ি ও ভবনগুলিতে প্রচুর বিস্ফোরক হামলা হয়েছে।

একটি আবাসিক ভবন রয়েছে, যার মোট দশটি তলা: তার মধ্যে পাঁচটি তলা মাটির নিচে, আর পাঁচটি তলা উপরে। এই ভবনে এখন বহু ফিলিস্তিনী বসবাস করছে কঠিন মানবিক পরিস্থিতির মধ্যে। কাহলুত পরিবার, যারা পূর্ব গাজা থেকে উচ্ছেদ হয়েছে, এখন এমন একটি ভবনের ঢালু ছাদের উপর বসবাস করছে, যা কখনো ধ্বংস হয়ে যেতে পারে—মোটামুটি একটি টাইম বোমার মতো।

একজন বাসিন্দা বললেন: “আমাদের ঘর ধ্বংস হয়েছে, আর কোথাও আশ্রয় পাইনি। এখানে একটি বড় বিল্ডিং আছে, সাত তলা সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত। আমরা এখন অষ্টম তলায় আছি। এটি অনেকটাই ঢালু। আমরা এখানে অনেক পরিশ্রম করি—পানি, খাবার বের করতে, সিঁড়ি ও ছাদ ঠিক করতে। আর আমাদের শিশুদের ব্যাপারে ভয় হয় যে তারা পড়ে যেতে পারে।”

ফিলিস্তিনিরা আগে ভয় করতেন বোমা তাদের মাথার উপড়ে আছেড়ে পড়ার আর এখন ভয় পান টাইম বোমা সদৃশ যে ভবনের মধ্যে থাকেন তা ধসে পড়ার। উদাহরণস্বরূপ, বেলাওয়ী পরিবারের বাড়ির ছাদ ধসে হয়েছে। এতে একজন নারী নিহত হয়েছে এবং অনেকে আহত। একজন বলেন:

“ছাদ দেখুন, সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি তা মজবুত করতে। আল্লাহ তাদেরকে রক্ষা করুন। আমি চাই আগামীকাল ছাদ পরিষ্কার করে আমরা নিরাপদে বসতে পারি।”

এই ছাদ ও ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলো এখন ফিলিস্তিনিদের জন্য বড় বিপদের উৎস। এগুলোর কারণে নতুনভাবে মৃত্যুর ও আহতদের সংখ্যা বাড়তে পারে।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ