মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসার বৈদ্যুতিক বোর্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম–কক্সবাজারে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে আমিরে মজলিসের ত্রাণ বিতরণ ইসলামোফোবিয়া মোকাবিলায় রাবেতার সঙ্গে কাজ করবে পাকিস্তান দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ

 ওপারে থেমে থেমে গুলি, এপারে আতঙ্ক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে দেশটি থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন আরও ১১৪ জন। তাঁদের মধ্যে আছেন মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য, সেনাসদস্য ও সরকারি কর্মকর্তা। 

উখিয়ার রহমতের বিল এলাকার আধা কিলোমিটার পূর্বে মিয়ানমারের সীমান্ত ঢেঁকিবনিয়া। মঙ্গলবার দুপুরে রহমতের বিল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের চোখেমুখে আতঙ্ক। অনেকে ঘর ছেড়ে আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে চলে যাচ্ছেন।  

একই অবস্থা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায়। দিনের মতো রাতেও গুলি বর্ষণ হওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটছে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের।

এদিকে মঙ্গলবার উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের রহমতের বিল সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) আরও ১৪৯ জন সদস্য ঢুকে পড়েছেন। পরে তাঁরা আত্মসমর্পণ করে অস্ত্র জমা দেন। 

উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, কিছুক্ষণ পরপর গুলি শব্দ। এলাকার লোকজন আতঙ্কে আছেন। অনেকের বাড়িঘরে এসে গুলি পড়ছে। নিরাপত্তার জন্য তাঁদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া উচিত। 

মিয়ানমারের ঢেঁকিবনিয়া সীমান্তচৌকি ঘিরে রাতভর মর্টার শেল ও গোলাবর্ষণে কেঁপে উঠছে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার অন্তত ১৩টি গ্রাম। সোমবার রাত নয়টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত অনবরত এই গোলাবর্ষণ ও মর্টার শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ফলে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের মধ্যমপাড়া, জলপাইতলী, মণ্ডলপাড়া, নয়াপাড়া, কোনারপাড়া, পশ্চিমকুল, বেতবুনিয়া বাজার পাড়া এবং উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের উখিয়ার ঘাট, পূর্ব ফাঁড়ির বিল, নলবনিয়া, আঞ্জুমান পাড়া, বালুখালী, দক্ষিণ বালুখালী এলাকা কেঁপে ওঠে।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে দেশটি থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন আরও ১৪৯ জন। তাঁদের মধ্যে মিয়ানমারের সেনাসদস্য, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন। এ নিয়ে গত রবিবার থেকে দেশটির মোট ২৬৪ জন পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন। এঁদের বেশির ভাগ বিজিপির সদস্য।

রামু সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. মেহেদি হোসাইন কবির সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশের ভেতরে যাতে প্রাণহানি না ঘটে, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। এখন পর্যন্ত যাঁরা এসেছেন, তাঁরা বর্ডার গার্ড পুলিশের অ্যাসোসিয়েটেড। ভাষাগত ও অন্যান্য সমস্যার কারণে এর বাইরে আমরা পরিচয় বের করতে পারিনি।’ এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, নিরাপদে থাকবেন। এই মুহূর্তে প্রয়োজন না হলে সীমান্তের কাছাকাছি যাবেন না।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ