বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬ ।। ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঈদের নামাজ আদায় করে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী ঈদুল আজহার দিনে নবীজি সা.-এর আমল সমূহ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পঞ্চগড় সীমান্তে সতর্কতামূলক মাইকিং ঈদের দিনে যেমন থাকছে আবহাওয়া জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী আল-আজহারে ঈদ উদযাপন: তাকবির, ত্যাগ ও বৈশ্বিক ভ্রাতৃত্বের মিলনমেলা ঈদের দিন তিন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী প্রাচীন সভ্যতার দেশ মিশরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদ উদযাপন তাকওয়া-আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা নিয়ে হাজির পবিত্র ঈদুল আজহা: প্রধানমন্ত্রী আড়াইহাজারের আলোচিত আব্রাহাম হত্যা: মূলহোতা কাতার থেকে গ্রেফতার

লগি-বৈঠার তাণ্ডবের বিচারের দাবিতে নাটোরে জামায়াতের সমাবেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাটোর প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দিঘাপতিয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলীয় জোটের লগি-বৈঠার তাণ্ডবের প্রতিবাদে এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া পিএন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৩নং দিঘাপতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আয়োজনে এই সমাবেশ হয়।

দিঘাপতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল করিম নিজামীর সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন সেক্রেটারি আখের আলীর সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন নাটোর জেলা আমীর অধ্যাপক ড. মীর নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, সব ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ইসলামের সুমহান আদর্শে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আগামীতে যে জাতীয সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সেই নির্বাচনে ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী দলকে বিজয় করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের পথ ধরেই আওয়ামী লীগ দেশে যে সন্ত্রাসী রাজনীতি শুরু করেছিল তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছিল। তখন থেকেই দেশকে রাজনীতিশূন্য করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা, ভোটাধিকারসহ মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়।

অধ্যাপক ড. মীর নুরুল ইসলাম বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর বায়তুল মোকারম উত্তর গেটে জামায়াতে ইসলামীর শান্তিপূর্ণ জনসভায় আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় জোটের সন্ত্রাসীরা নারকীয় তাণ্ডব চালিয়ে তারা জামায়াতে ইসলামীর ১৪ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করে। শত শত নেতাকর্মীকে আহত করে। শুধু তাতেই ক্ষান্ত হয়নি, জামায়াত নেতাকর্মীদের হত্যা করে তারা লাশের উপর নৃত্য করেছিল। গোটা বিশ্ববাসী তা দেখেছিল। আমরা দাবি জানাই, ২৮ অক্টোবরের লগি বৈঠার তাণ্ডবের সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে এবং গণহত্যার সাথে জড়িত দল হিসেবে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক ইউনুস আলী, সেক্রেটারি অধ্যাপক সাদেকুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম রাসেল, সদর থানা জামায়াতের আমীর মাওলানা মীর নুরুন্নবী, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমীন জিহাদী।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি আলমগীর হোসেন, আলী আল মাসুদ মিলন, সাজ্জাদুর রহমান, সদর থানা শাখার সভাপতি তালহা মন্ডল ও সেক্রেটারি সোহানুর রহমান সোহান, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি আফতাব আলী ও অধ্যাপক আব্দুস সালামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ