বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

মাদারীপুরে পাঁচ দিন ধরে মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরের ধুলগ্রাম থেকে পাঁচ দিন ধরে এক মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সন্তানকে ফিরে পেতে ছাত্রের মা মাদরাসার বারান্দায় বসে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এসময় মাদরাসা কর্তৃপক্ষও উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজ ছাত্রের পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, গত ১৫ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার থানতলী এলাকার ভাড়া বাসা থেকে ধুলোগ্রাম মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র আব্দুল আহাদ ওরফে রিমন মাদরাসার উদ্দেশ্যে বের হয়। রাতে তার মা ফোন দিলে ওই ছাত্রকে পাওয়া যায়নি। পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে তারাও রিমনের খোঁজ দিতে পারেনি। পরের দিন ১৬ নভেম্বর ছেলের সন্ধান চেয়ে মাদারীপুর সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। কিন্তু তারপরেও ছাত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের কাছে খোঁজ নিয়েও সন্ধান মেলেনি।

পাঁচ দিন হলেও সন্তানকে না পেয়ে পাগলপ্রায় রিমনের পরিবার। মঙ্গলবার দুপুরে মাদরাসায় বসে সংবাদ সম্মেলনে করে সন্তান ফিরে পেতে তার মা আকুতী জানান। এসময় মাদরাসার কর্তৃপক্ষও উপস্থিত ছিলেন। তারাও ছাত্রের সন্ধান দাবি করেন।

আব্দুল আহাদ ওরফে রিমন মাদারীপুর সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়া গ্রামের আবুল সরদারের ছেলে। তার বাবা ইতালিপ্রবাসী।

সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজের মা আয়েশা বেগম বলেন, আমার ১৪ বছরের ছেলে আব্দুল আহাদ ওরফে রিমন কারো সাথে খাবার ব্যবহার করেনি। আমার কোন শত্রুও নাই। কেউ কিছু দাবিও করেনি। কিন্তু তারপরেও কেন আমার সন্তান নিখোঁজ থাকবে। অনেক জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করেছি, কিন্তু তাকে পাইনি। থানা পুলিশও কোন চেষ্টা করছে না। নাহলে কেন আমার সন্তানটি ফিরে পাচ্ছি না। আমার সন্তানকে ফিরে পেতে চাই।

সদর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, থানায় জিডি করেছে। আমরাও চেষ্টা করছি, সারদেশের থানাগুলোতে ওই ছেলে ছবি পাঠানো হয়েছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ