বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

‘ঘুষ খেয়ে’ কারাগারে গেলেন মাদারীপুরের সাবেক এসপি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাদারীপুর প্রতিনিধি

পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে মাদারীপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) ও বর্তমান ডিআইজি সুব্রত কুমার হালদারকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির আসামি ও দুদুকের আইনজীবীর জামিন শুনানি শেষে সুব্রত কুমার হালদারকে কারাগারে পাঠান।

সুব্রত কুমার হালদারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যেখানে ১৭ প্রার্থীর কাছ থেকে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার ওই মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম ১১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, সুব্রত কুমার হালদার ২০১৯ সালে মাদারীপুর পুলিশ সুপারের দায়িত্বে থাকাকালে কনস্টেবল পদে নিয়োগে দুর্নীতির ঘটনা ঘটে। ওই বছরের ২৬ জুন মাদারীপুর থেকে পুলিশ ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়। চূড়ান্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ৫৪ জনকে পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। ওই নিয়োগ চলাকালে গোপন সংবাদে ঘুষ লেনদেনের ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করে পুলিশ। ওই ঘটনায় মাদারীপুর সদর থানায় ছয়টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বিষয়টি পুলিশ সদর দপ্তর প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে এবং আদালতের মাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন দুদকে পাঠানো হয়।

অভিযোগপত্রে জানা যায়, প্রধান আসামি সুব্রত কুমার হালদার বর্তমানে সারদা একাডেমিতে উপ-মহাপরিদর্শকের (ডিআইজি) যুক্ত আছেন। ২০২৩ সালের ৫ জুলাই সুব্রত কুমার হালদারসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দুদক। তদন্ত শেষে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সুব্রত কুমার নিজেই আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন চান। কিন্তু আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠান। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

অন্য আসামিরা হলেন- মাদারীপুর পুলিশ লাইনসের বরখাস্ত কনস্টেবল নুরুজ্জামান সুমন ও জাহিদুল ইসলাম, মাদারীপুর জেলা পুলিশ হাসপাতালের সাবেক মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট পিয়াস বালা ও মাদারীপুরের সাবেক টিএসআই (শহর উপপরিদর্শক) গোলাম রহমান। মামলায় নাম থাকা ছয় আসামির মধ্যে মাদারীপুর সদর থানার বাসিন্দা হায়দার ফরাজিকে অভিযোগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তা অভিযোগপত্রের সূত্রে আরও বলেন, সাবেক পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার (৫২) চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে অপরাধমূলক আচরণের মাধ্যমে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনা এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তাবলি লঙ্ঘন করে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। ফলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ