সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার: ইসি সচিব কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা নাটোরে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৮ ভারতে ইসলামকে শ্রেষ্ঠ ধর্ম বললেন হিন্দু মন্ত্রী মাদরাসায় কি এলিটরা আসবে? অভিনয় ছেড়ে ধর্মকর্মে ঝুঁকেছেন দুই অভিনেত্রী! মোহাম্মদপুর পূর্ব থানা কমিটি গঠন উপলক্ষে বিকেএমের দায়িত্বশীল সভা মসজিদে নববীর ধর্মীয় বিষয়ক উপপ্রধানের হাতে কুরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সম্মাননা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আজ নেপালে টানেলে আটকে থাকাদের উদ্ধারে কাজ করছে ১০ হাজার সেনা সদস্য

‘বাউল সন্দেহে নয়, মোবাইল চোরকে গণধোলাই দিয়েছে উত্তেজিত জনতা’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজধানীর পল্টনে ‘বাউল সন্দেহে একজন ব্যক্তিকে হেফাজতের নেতাকর্মীরা গণপিটুনি দিয়েছে’ দাবি করে একটি যাচাইহীন ভিডিও দিয়ে হেফাজতের বিরুদ্ধে দৈনিক ইত্তেফাকের অপপ্রচার চালানোর তীব্র নিন্দা জানিয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

শুক্রবারের (২৮ নভেম্বর) ওই বিবৃতিতে তিনি বলেন, আজকে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ-সমাবেশ শেষে পল্টনে একজন পকেটমারকে (মোবাইল চোর) হাতেনাতে ধরে উপস্থিত জনতা উত্তম-মধ্যম দিয়েছে বলে আমরা খোঁজখবর নিয়ে জেনেছি। অথচ দৈনিক ইত্তেফাক তাদের ফেসবুক পেজে যাচাই ছাড়া একটি অস্পষ্ট ভিডিও দিয়ে এ ঘটনাকে ‘বাউল সন্দেহে এক যুবককে হেফাজতের নেতাকর্মীদের গণপিটুনি’র দাবি করেছে। অথচ একই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হেফাজতের দুজন হলুদ ভেস্ট পরা নিরাপত্তাকর্মী এগিয়ে গিয়ে ওই মোবাইল চোরকে বরং জনতার পিটুনি থেকে রক্ষা করেছে। ঘটনাটি আরো ভালো করে যাচাই করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ইত্তেফাকের ওই প্রতিবেদক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেফাজতের নামে মিথ্যাচার করেছে। তাছাড়া আর কোনো বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যমেও এ ঘটনাটির সংবাদ এখনো আমাদের নজরে আসেনি। আমরা হেফাজতের বিরুদ্ধে ইত্তেফাকের এমন অপপ্রচার চালানোর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, ইত্তেফাকের এই অপপ্রচার ও মিথ্যাচারিতার কারণে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। অথচ এ ঘটনার সঙ্গে হেফাজতের কোনো সম্পর্ক নেই। এমনকি যারা ভণ্ড বাউল আবুল সরকারের ধর্ম অবমাননার ব্যাপারে এতদিন চুপ থেকেছে, তারাও হেফাজতের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করার মওকা পেয়েছে। মোবাইল চোর বা পকেটমার ধরা খেলে উপস্থিত জনতার হাতে উত্তম-মধ্যমের শিকার হওয়াটা আমাদের দেশে স্বাভাবিক ঘটনা।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমরা সবিনয়ে ইত্তেফাককে অবিলম্বে ক্ষমা চেয়ে সংশোধনী দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায়, আমরা ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে পরামর্শক্রমে মানহানি বিষয়ক আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবো।

আজিজুল হক আরো বলেন, আমরা আগেও বলেছি, আল্লাহর কটূক্তিকারী ভণ্ড বাউল আবুল সরকার ইস্যুতে কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি কাম্য নয়। বাউল সন্দেহে কিংবা বাউলদের ওপর হামলা করে আইন হাতে তুলে নেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ জনতার প্রতি আমরা জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে আবুল সরকারের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে সবাই অটল থাকুন। আমরা আইন-আদালতের ওপর আস্থা রাখতে চাই। আর যদি আইন-আদালত বিচারে ব্যর্থ হয়, তাহলে ওলামায়ে কেরামের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ