শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

শায়খুল হাদিসকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই: ড. তুহিন মালিক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

উপমহাদেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় শীর্ষস্থানীয় আলেমে-দ্বীন শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.)। কোটি মানুষের কাছে ‘শায়খুল হাদিস’ নামটা উচ্চারণ করলে যার নামটা ভেসে উঠে তিনি আমাদের আল্লামা আজিজুল হক (রহ.)।

শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.) গণমানুষের কাছে শ্রদ্ধাপূর্ণ সম্মানিত একটি নাম। তিনি ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ছিলেন। চারদলীয় জোটের চার নেতার একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। তিনি খেলাফত মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ও আমির ছিলেন। তিনি ছিলেন এদেশের ইসলামী রাজনীতির একজন মহান সংস্কারক। এরকম একজন কিংবদন্তি প্রয়াত শীর্ষস্থানীয় বুজুর্গ আলেমের অসম্মান করার অধিকার কারো নেই।

বুখারির প্রথম বাংলা অনুবাদকারী সর্বজনশ্রদ্ধেয় শায়খুল হাদীসের ত্যাগ ও দেশপ্রেম সম্পর্কে অনেকের হয়ত জানা নাই যে, পাকিস্তানের স্বৈরশাসক জেনারেল আইয়ুব খানের কুরআন-সুন্নাহবিরোধী পারিবারিক আইনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন এই শায়খুল হাদিস।

অনেকের হয়ত জানা নাই যে, বাবরী মসজিদ ধ্বংস ও ভারতের মুসলমানদের উপর গণহত্যার প্রতিবাদে ১৯৯৩ সালে ঐতিহাসিক লংমার্চের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই শায়খুল হাদিস। তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাও বাংলাদেশ সফরে আসতে চাইলে এই আল্লামা শায়খুল হাদিস (রহ.) ঘোষণা করেন ‘বাবরী মসজিদ পুনঃনির্মাণ এবং ফারাক্কা সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত নরসীমা রাও বাংলাদেশে অবাঞ্ছিত।

তারা এটাও হয়ত জানে না, রাষ্ট্র বা ইসলামবিদ্বেষী মহল যখনই ষড়যন্ত্র করেছে, শায়খুল হাদিস (রহ.) তখনই অসীম বীরত্ব ও সাহসিকতার সাথে তাদের প্রতিহত করেছেন। এজন্য উনাকে বহুবার কারারুদ্ধ হতে হয়েছে। বহু নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। আর উনি দৃঢ়তার সাথে লড়াই করে বলতেন- ‘দ্বীন ধ্বংস হবে আর আমি বসে থাকব?’

তাই জাতি আশা করে, দেশের প্রয়াত আলেম-ওলামাদের সম্মান হানিকর যেকোনো কর্মকাণ্ড করা থেকে নিবৃত্ত থাকতে হবে। আশা করি আমরা নবীদের আদর্শিক উত্তরাধিকারী সম্মানিত আলেমদের সুউচ্চ মর্যাদা অনুধাবন করতে সক্ষমতা অর্জন করবো।
লেখক: টকশো ব্যক্তিত্ব ও বিশ্লেষক

এমএন/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ