মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের ‘তিন-চার বছরের মধ্যে মসলা জাতীয় পণ্যে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে যাবে’  ‘ভারতের মুসলমানরা বাইরের কেউ নন, আমাদেরই ভাই’ ‘স্বপ্নসিঁড়ির’ নাতে রাসুল প্রতিযোগিতা, ওমরাহসহ লক্ষাধিক টাকার পুরস্কার

বাগেরহাটে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ১৫ দিনে ২ শতাধিক রোগী হাসপাতালে


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সারাদেশের মতো বাগেরহাটেও আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ১৫ দিনে বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালে কমপক্ষে ২০০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, চলতি সপ্তাহে একদিনেই সর্বোচ্চ ৫৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী, জেলার কচুয়া ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ছড়াচ্ছে। এদিকে হঠাৎ রোগী বেড়ে যাওয়ায় এবং জনবল সংকট থাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।

স্বাস্থ্য বিভাগ আশঙ্কা করছে, আগামী দুই মাস জেলায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আরও বাড়তে পারে। তাই এডিস মশার বিস্তার রোধে ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সর্বোচ্চ সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (সুপারিনটেনডেন্ট) ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার বলেন, বাগেরহাটে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব প্রতিনিয়ত বাড়ছে। গত মে মাস থেকে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি শুরু হয়। গত মে মাস থেকে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হতে শুরু করে। জুন মাসে তা দাঁড়ায় দুইশোতে। জুলাই মাসের মাঝামাঝিতে রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে চারশোতে। দিন দিন রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত এক সপ্তাহে প্রতিদিন অন্তত ১০ জন করে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। চলতি সপ্তাহে একদিনেই সর্বোচ্চ ৫৩ জন রোগী ভর্তি হয়। এখনই ডেঙ্গু রোগের লাগাম টানা না গেলে সামনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে। সামনে রোগী আরও বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে ভর্তি রোগী সবচেয়ে বেশি আসছে কচুয়া ও মোরেলগঞ্জ উপজেলা দুটির সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে। এই এলাকাতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালে একটি ইউনিট চালু করে সেখানে ডেঙ্গু রোগীদের ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাই এডিস মশার বিস্তার রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

আওয়ার ইসলাম/জেডএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ