শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮


‘নবীজির সিরাত অনুসরণ ছাড়া সমাজে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

আশুলিয়ার দক্ষিণ ভাদাইল জামিয়াতুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ কমপ্লেক্সে হুব্বে রাসূল সা. ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সিরাত কনফারেন্স ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া এ আয়োজনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন কলেজ, স্কুল ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী। প্রধান অতিথি ছিলেন ধামসোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসরাফিল হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন মুফতি সালমান ফারসি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হুব্বে রাসূল সা. ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুফতি আল আমিন খন্দকার আমিনী।

প্রধান মেহমানের বক্তব্যে মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী বলেন, রাসূলুল্লাহ সা.-এর সিরাত ও আদর্শ অনুসরণ ছাড়া সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণকে মুসলমানদের ঈমানি দায়িত্ব উল্লেখ করে এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান অতিথি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসরাফিল হোসেন তাঁর বক্তব্যে খতমে নবুওয়াতের গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রধান আলোচক মুফতি সালমান ফারসি বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে রাসূলুল্লাহ সা.-এর জীবনাদর্শ তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন আরও ব্যাপকভাবে করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক হাজী মো. দেলোয়ার হোসেন। এছাড়া বক্তব্য দেন আশুলিয়া থানা ওলামা পরিষদের সভাপতি মুফতি ইলিয়াস আহমদ কাসেমী, ওলামা পরিষদ ধামসোনা ইউনিয়নের সভাপতি মুফতি তাজুল ইসলাম, মুফতি আব্দুর রহমান জামিল, মুফতি রবিউল করীম ফরিদী, মুফতি মোজাম্মেল হুসাইন, মুফতি আব্দুল কাইয়ুম, মাওলানা সালিম আহমদ হেলালিসহ আরও অনেকে।

সভাপতির বক্তব্যে মুফতি আল আমিন খন্দকার আমিনী বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সা.-এর ইজ্জত ও মর্যাদা রক্ষায় আমরা আমাদের জান-মাল ও জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।’

কনফারেন্সের পাশাপাশি বিভিন্ন কলেজ, স্কুল ও মাদরাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাতে রাসূল সা., বক্তৃতা, উপস্থিত সিরাত জ্ঞান ও দ্বীন শিক্ষা প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন আয়োজন করা হয়। এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে মোট ২২৬টি সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে অংশগ্রহণকারী ও উপস্থিত নবীপ্রেমিকদের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানানো হয়। একই সঙ্গে সংগঠনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতের কর্মসূচিগুলোতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

পরে মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানীর দোয়ার মাধ্যমে দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ