নিজস্ব প্রতিবেদক
নোয়াখালীর উত্তর নারায়ণপুর গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘মুয়াজ্জিন’ বা ‘ইমাম’ হিসেবে পরিচয় দেওয়াকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন স্থানীয় এক আলেম।
জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ রামগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শরীফ বিন ছিদ্দীক এক বিবৃতিতে বলেন, অভিযুক্ত যুবক তাদের এলাকার একটি মাদরাসার হিফজ বিভাগে পড়াশোনা করলেও তিনি কোনো আলেম নন। একই সঙ্গে তিনি কোনো মসজিদের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমাম বা মুয়াজ্জিনও নন।
তিনি দাবি করেন, কণ্ঠস্বর ভালো হওয়ায় কোনো অনুষ্ঠানে বা কোনো সময় হয়তো আজান দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সেই বিষয়কে কেন্দ্র করে তাকে ‘ইমাম’ বা ‘মুয়াজ্জিন’ পরিচয়ে প্রচার করা অনুচিত। তাঁর ভাষ্য, অভিযুক্ত ব্যক্তি মূলত একজন সাধারণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর।
এদিকে, পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, কানাডাপ্রবাসী স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিশাত আক্তার দীর্ঘদিন ধরে তিন সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।
পরিবারের দাবি, গত ২৭ জুন নিশাত আক্তার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি হলফনামা ও কথিত বিবাহসংক্রান্ত কিছু নথিও উদ্ধার করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
পরিবার জানায়, ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও নিশাত আক্তার ও অভিযুক্ত যুবকের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে নিখোঁজ নারী ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইও/