সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের সব ফাজিল-কামিল মাদ্রাসার কমিটি বাতিল ফ্রান্সে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কারফিউ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আলিম পরীক্ষা ২০২৮, নম্বর বণ্টনসহ নতুন সিলেবাস প্রকাশ বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয়

উচ্চ রক্তচাপ ও নিম্ন রক্তচাপ কেন হয়?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান

রক্তচাপ (Blood Pressure) হলো হৃদপিন্ডের ধাক্কায় রক্ত যখন ধমনীর মধ্য দিয়ে চলে, তখন রক্ত ও ধমনী দেওয়ালের মধ্যকার চাপ। স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০/৮০ mmHg। এই মাত্রা যদি এর চেয়ে বেশি বা কম হয়, তখন বলা হয় হাই প্রেশার বা লো প্রেশার।

উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure / Hypertension) কেন হয়?

১. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ: দীর্ঘমেয়াদে টেনশন বা স্ট্রেস থাকলে রক্তচাপ বেড়ে যায়।  
২. অতিরিক্ত লবণ খাওয়া: বেশি লবণ রক্তে সোডিয়াম বাড়ায়, যা প্রেশার বাড়ায়।  
৩. অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন: ধূমপান, অতিরিক্ত অ্যালকোহল, অনিয়মিত ঘুম ইত্যাদি কারণ হতে পারে।  
৪. স্থূলতা ও ব্যায়ামের অভাব: শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমলে হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ পড়ে।  
৫. বংশগত কারণ: পরিবারে কারও হাই প্রেশার থাকলে ঝুঁকি বাড়ে।  
৬. কিডনি রোগ বা হরমোনজনিত সমস্যা।

নিম্ন রক্তচাপ (Low Blood Pressure / Hypotension) কেন হয়?

১. অপর্যাপ্ত পানি পান: ডিহাইড্রেশনে রক্তচাপ কমে যেতে পারে।  
২. দীর্ঘসময় না খাওয়া: রক্তে গ্লুকোজ কমে গেলে প্রেশার কমে।  
৩. রোগ বা সংক্রমণ: টাইফয়েড, ডেঙ্গু ইত্যাদি রোগে প্রেসার কমে যেতে পারে।  
৪. হার্টের সমস্যা: হার্ট ঠিকমতো পাম্প না করলে রক্তচাপ কমে।  
৫. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ওষুধ (যেমন: ডিপ্রেশনের বা ডায়ুরেটিক) প্রেসার কমাতে পারে।  
৬. গর্ভাবস্থা বা হরমোনের ভারসাম্যহীনতা

উচ্চ ও নিম্ন রক্তচাপ দুইটাই স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। নিয়মিত রক্তচাপ মাপা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সমস্যার লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ