সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের সব ফাজিল-কামিল মাদ্রাসার কমিটি বাতিল ফ্রান্সে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কারফিউ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আলিম পরীক্ষা ২০২৮, নম্বর বণ্টনসহ নতুন সিলেবাস প্রকাশ বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয়

আক্কেল দাঁত: সমস্যা ও সমাধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

|| ইমরান ওবাইদ ||

শিশু ও কিশোরকাল পেরিয়ে যৌবনের শুরুতেই মুখে গজায় আক্কেল দাঁত। সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে ওপর ও নিচের চোয়ালে মোট চারটি দাঁত ওঠে, যাকে আমরা আক্কেল দাঁত বলি। দাঁত ওঠার সময় থেকে নিয়ে মাঝেমধ্যেই আমাদের বিড়ম্বনায় ফেলে এই দাঁতের চিনচিনে ব্যথা। জীবনে একবার হলেও এমন ব্যথার শিকার হন সবাই। কখনো আক্কেল দাঁতের ব্যথা হয়নি এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম।

আক্কেল দাঁতকে মেডিকেল পরিভাষায় বলা হয় ‘থার্ড মোলার টুথ’। অনেকেই মনে করেন আক্কেল দাঁতের সঙ্গে জ্ঞান-বুদ্ধির যোগসূত্র রয়েছে। তবে সত্যিকার অর্থে এমন ধারণার কোনো বাস্তব প্রমাণ কিংবা মেডিকেল সায়েন্সের কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই।

অনেকের ক্ষেত্রে চোয়ালের গঠন ছোট হওয়ার কারণে আক্কেলদাঁত ওঠার সময় কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হয়। মাড়িতে পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে দাঁতটি আংশিক বাঁকা হয়ে বের হয় বা পাশের দাঁতের দিকে হেলে যায়। যার ফলে মাড়িতে প্রদাহ হয়ে তীব্র ব্যথার সৃষ্টি হয়। যাদের দাঁতে এমন সমস্যা রয়েছে, মাঝেমধ্যেই অসহনীয় ব্যথায় কাতরাতে হয় তাদের। তবে সমস্যাটি আক্কেল দাঁতের কারণে হয়েছে কি না—তা বোঝার কিছু লক্ষণ বলেন ডেন্টিস্ট বিশেষজ্ঞরা।

আক্কেল দাঁতের সমস্যার লক্ষণ ও করণীয়:

১. মাড়ি বা গাল ফুলে যাওয়া।

২. দাঁতের চারপাশে খাবার জমে মাড়িতে পচন বা ইনফেকশন হওয়া।

৩. দাঁত ও চোয়াল ব্যথা।

৪. দাঁত বাঁকা হওয়া।

৫. মুখ পুরোপুরি খুলতে না পারা।

৬. জ্বর আসা ও খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া।

এমন সমস্যা দেখা দিলে শুরুতেই একজন ডেন্টাল সার্জন বা দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দাঁতের সমস্যা একা একা ভালো হয়ে যাবে—এমন চিন্তা করে চিকিৎসকের নিকট না যওয়া বোকামি। সময়ের ব্যবধানে ছোট সমস্যা বড় আকার ধারণ করতে পারে। তাই বড় ধরনের জটিলতা এড়াতে ব্যথা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিকটস্থ কোনো ডেন্টাল সার্জনের শরণাপন্ন হওয়া কাম্য।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ