সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

ধর্মভিত্তিক দল নিষিদ্ধে তাজিকিস্তানে চলছে ভোট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

142986_1আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তাজিকিস্তানের মানুষেরা সেদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে ভোট দিচ্ছে। ধর্মভিত্তিক দলগুলো নিষিদ্ধ হলে তাজিকিস্তানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট এমোমালি রাখমনের ক্ষমতাই বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা পাওয়া তাজিকিস্তানের অধিকাংশ জনগণই ইসলাম ধর্মাবলম্বী।

তাজিক প্রেসিডেন্ট এমোমালি ১৯৯২ সাল থেকে দেশটির ক্ষমতায় রয়েছেন। রাখমনের সঙ্গে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সম্পর্ক ভালো নয়।

গত বছর থেকে দেশটিতে ধর্মভিত্তিক দলগুলো নিষিদ্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

১৯৯৭ সালে দেশটিতে গৃহযুদ্ধের পর সরকার ও ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সঙ্গে চুক্তি হবার পর থেকেই ধীরে ধীরে ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে ক্ষমতা থেকে আস্তে আস্তে দূরে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

রবিবারের গণভোটে ধর্মীয় দলগুলো থাকা না-থাকার প্রশ্নের পাশাপাশি প্রেসিডেন্টের ক্ষমতায় থাকার সময় নিয়েও মতামত নেওয়া হবে।

একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বয়স কমানোর বিষয়েও জনগণ ভোট দেবেন।

তাজিকিস্তানের এই গণভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩৫ করার বিষয়েও জানতে চাওয়া হচ্ছে।

বয়স কমানোর বিষয়টি গণভোটে পাস করে গেলে আগামী ২০২০ সালের নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রুখমনের ছেলে রুস্তম অংশ নিতে পারবেন। রুস্তমের বয়স ২৯ বছর।

তাজিকিস্তানের গণভোটের ব্যালটে প্রশ্ন করা হয়েছে, ‘আপনি কি দেশের সংবিধান সংশোধন ও সংযোজন সমর্থন করেন’?

মধ্য এশিয়ার অন্যতম দরিদ্র দেশ তাজিকিস্তান অনেক ক্ষেত্রেই রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল। দেশটির অনেক নাগরিক রাশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজ করে।

বিদেশি শ্রমিকদের পাঠানো অর্থেই দেশটির অর্ধেক জিডিপি অর্জিত হয়।

সুত্র: বিবিসি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ