আওয়ার ইসলাম: জঙ্গিবাদের সাথে পথভ্রষ্ট কিছু শিক্ষক জড়িত বলে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আমরা একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক আগেই সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু তারা শোনেনি। ওখানকার এক শিক্ষক জড়িত। বর্তমানে সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদের সাথে একশ্রেণীর শিক্ষক জড়িত। সন্ত্রাসীরা বিদেশীদের মেরে বহির্বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করেছে। মূলত বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে তারা এ ধরনের তৎপরতা চালাচ্ছে। সন্ত্রাস-জঙ্গি তৎপরতা রোধে ও সমাজ স্থিতিশীল রাখতে আলেম-ওলামা, ঈমাম-মোয়াজ্জিনরা সমাজের নেতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সমাজের সর্বস্তরে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি। আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখগণ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ওয়াজ-নসিয়ত ও বক্তৃতার মাধ্যমে শান্তির ধর্ম ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারেন।
বুধবার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ‘সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে আলেমদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ মানুষ শিক্ষা পরিবারের। আমাদের এই পরিবার এখন সব থেকে বেশি বিপজ্জনক অবস্থায় আছে। এই ক্ষেত্রে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষে জঙ্গিবাদ দমন করা সম্ভব না। শিক্ষার্থীদের দেখে রাখার দায়িত্ব অভিভাবকসহ সমাজের সবার। সবাই যদি সচেতন হয় তাহলে কারো সন্তানই আর বিপথগামী হবে না। তাই জঙ্গিবাদ বন্ধ করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে বর্তমান সরকারের সময়ে মাদরাসা শিক্ষার নানা উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সরকার মাদরাসা শিক্ষায় কুরআন-হাদিসসহ ধর্মীয় বিষয়সমূহের পাশাপাশি আধুনিক বিজ্ঞান-প্রযুক্তির বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত করেছে। এতে মাদরাসার ডিগ্রিধারীরাও ডাক্তার, প্রকৌশলী হওয়ার পাশাপাশি বিসিএস অফিসারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন।
শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন