সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ১২ দিনে ৫ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৬৬ সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার'

স্টার জলসা দেখতে না দেয়ায় স্বামী খুন, স্ত্রীর যাবজ্জীবন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

nahida

আওয়ার ইসলাম: গাজীপুরে স্টার জলসা দেখতে না দেয়ায় স্ত্রীর ছুরিকাঘাতে স্বামী হত্যা মামলায় নাহিদা আকন্দ ওরফে রীপাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।

 বুধবার দুপুরে গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

 দণ্ডপ্রাপ্ত নাহিদা আকন্দ ওরফে রীপা নরসিংদীর মনোহরদী থানার পশ্চিম চালাকচর গ্রামের মতিউল ইসলাম ওরফে বাবু মেম্বারের মেয়ে এবং গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়া এলাকার মো. শাহজাহানের ছেলে সোহরাব হোসেন ওরফে আমির হোসেনের স্ত্রী।

গাজীপুর আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. হারিছ উদ্দিন আহমদ জানান, সোহরাব হোসেন স্ত্রী নাহিদা আকন্দ ওরফে রীপা ও ছয় বছর বয়সী পুত্র সন্তান নিলয়কে নিয়ে গাজীপুর মহানগরের তেলিপাড়া এলাকার মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থেকে এয়ারটেল মোবাইল অপারেটর কোম্পানিতে চাকুরী করতেন। তারা ২০০৭ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন।

গত বছরের ৪ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে রীপা টিভিতে স্টার জলসা দেখছিল। বাসায় ফিরে স্বামী সোহরাব রীপাকে স্টার জলসা দেখতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে রীপা ক্ষীপ্ত হয়ে সোহরাবকে ধারালো চাকু দিয়ে বুকের বাম পাশে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত ও জখম করে।

 পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এঘটনায় নিহতের বাবা শাহজাহান ঘটনার পরের দিন (৫ জানুয়ারি) বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জয়দেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই, এআরএম) আল মামুন তদন্ত শেষে রীপার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করলে আদালত গত বছরের ১ অক্টোবর অভিযোগ গঠন করেন।

বুধবার দুপুরে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয়পক্ষের শুনানী শেষে আসামী রিপার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত পেনাল কোড ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।

রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি মো. হারিছ উদ্দিন আহম্মদ। আসামী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী বেগম রওশন আরা খানম।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ