বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ওমান উপকূলে ভারতীয় জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিখোঁজ ৩ দুপুরের মধ্যে ৭ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা তুচ্ছ ঘটনায় রণক্ষেত্র ভৈরব, ওসিসহ আহত অর্ধশতাধিক বানিয়াচংয়ে ইসলামী সংগ্রাম পরিষদের ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন জৈন্তাপুর উপজেলা জমিয়তের সভাপতির ইন্তেকাল, কেন্দ্রীয় কমিটির শোক ‘আদর্শবান ও প্রশিক্ষিত কর্মীরাই একটি সংগঠনের প্রকৃত শক্তি’ শুক্রবার মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীতে খুতবা দেবেন যে দুই শায়খ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি হজমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ১১ দলীয় জোটে নেই খেলাফত আন্দোলন, নাম ব্যবহার না করার আহ্বান

‘সেক্যুলার পাঠ্যসূচি নয়, সার্বজনীন শিক্ষা চালু করতে হবে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

indexআওয়ার ইসলাম : বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ হারুনুর রশীদ বলেছেন, দেশ থেকে সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ নির্মুল করতে হলে সেক্যুলার পাঠ্যসূচী সংশোধনপূর্বক সার্বজনীন ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ইসলামী অনুশাসন মেনে চলার কারণে শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হয়রানী করা হচ্ছে। অবিলম্বে তা বন্ধ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার মেনে নিয়ে পড়া-লেখার উপযোগী শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করার জন্য তিনি সরকারের দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যাক্তিদের প্রতি আহবান জানান। আজ ৩০ আগস্ট ২০১৬ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের ২০১৫-১৬ সেশনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরষিদের বার্ষিক অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সংগঠনের সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ আব্দুর রহীম সাঈদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, ছাত্র মজলিসের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা এনামুল হক মূসা, মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা নূর মোহাম্মদ আজিজী, সাবেক কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি ফারুক আহমদ নোমানী, সাবেক ঢাকা মহানগর সভাপতি মুফতি আব্দুল মুমিন, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষন সম্পাদক বি এম আমিন, বায়তুলমাল সম্পাদক সাইদুর রহমান সানী,  কেন্দ্রীয় শিক্ষা  ও ক্যাম্পাস বিষয়ক সম্পাদক মুহিবুর রহমান সুহেল প্রমুখ।
অধিবেশনে নিম্নোক্ত প্রস্তাবাবলী গৃহিত হয়।

১.    সংবিধানে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিস্থাপন এবং ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তিকারীদের বিরোদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাশ করতে হবে।

২.    ধর্মহীন শিক্ষানীতি ও শিক্ষা আইন বাতিল এবং সেক্যুলার পাঠ্যসূচী সংশোধন করে শিক্ষার সকল স্তরে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৩.    স্বকীয়তা বজায় রেখে কওমী মাদরাসা শিক্ষাকে শর্তহীন সরকারী স্বীকৃতি দিতে হবে।

৪.    ধর্মীয় অনুশাসন পালনে অভ্যস্থ শিক্ষার্থীদেরকে অযথা হয়রানী বন্ধ করতে হবে ।

৫. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ