মুফতি এনামুল হক কাসেমী। ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরার প্রধান মুফতি। মুহাদ্দিস। সম্প্রতি সরকার কর্তৃক গঠিত ৯ সদস্যের সাব কমিটির সদস্য। শিক্ষানীতির ব্যাপারে তার মতামত জানতে গতকাল বিকেলে আওয়ার ইসলামের পক্ষ থেকে তার মুখোমুখি হয়েছিলেন আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি মোস্তফা ওয়াদুদ।
মোস্তফা ওয়াদুদ : কওমী সনদের ব্যাপারে আপনার বক্তব্য জানতে চাই।
মুফতি এনামুল হক : কওমী সনদের ব্যাপারে জানতে হলে একটু শুরু থেকে আসতে চাই। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের মাধ্যমে কওমী সনদের আলোচনার সূত্রপাত ঘটে। এর ও অনেক আগে গঠিত হয় বেফাক। বেফাককে যদিও জাতীয় বোর্ড বলা হয়। আর অন্যগুলোকে বলা হয় আঞ্চলিক বোর্ড। কিন্তু বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গঠিত হওয়া বোর্ড হলো এদারা বোর্ড সিলেট। বৃটিশ পিরিয়ডে ১৯৪৭ সালের আগে এ বোর্ড গঠন করা হয়। এরপর ১৯৭১ সালের আগে পাকিস্তান পিরিয়ডে গঠিত হয় এত্তেহাদুল মাদারিস। তারপর সবার ঐক্যমতে এ দুই বোর্ডের সদস্যগণ আরেকটি বোর্ড তৈরি করে। যার নাম বেফাক।
যখন স্বীকৃতির কথা আসলো তখন সবার ঐক্যমতে সিদ্ধান্ত হলো, বেফাকের মাধ্যমে আমরা সরকারী স্বীকৃতি নিবো। ২০০৫ সালে খালেদা জিয়ার মাধ্যমে একটি প্রতিনিধি দল ঠিক করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে সরকার আর কোনো চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করতে পারেননি।
এরপর আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ২০১২ সালে ১৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। সে কমিটিতে প্রধান চেয়ারম্যান ছিলেন আল্লামা শাহ আহমদ শফি। আর কো-চেয়াম্যান ছিলেন ফরিদউদ্দীন মাসউদ সাহেব। সেখানে সদস্য সচিব থাকেন গওহারডাঙ্গার মুফতি রুহুল আমীন খান। আমাকেও সে কমিটিতে রাখা হয়। সে হিসেবে একটি চিঠি আসে আমার কাছে। আমি চিঠির ব্যাপারে আমাদের বড় হজুর ফকীহুল মিল্লাত মুফতি আব্দুর রহমান সাহেবকে দেখাই। এবং গ্রহণ করা না করার ব্যাপারে পরামর্শ চাই। তখন হুজুর বললেন, যেহেতু কমিটিতে শফি সাহেব আছেন! যদি হুজুর গ্রহণ করেন। তাহলে আপনি গ্রহণ করুন। মিডিয়ার মাধ্যমে জেনেছি, সে চিঠিটি হুজুর গ্রহণ করেছেন। এরপর আমিও গ্রহণ করি। এরপর যাচাই বাছাই করে ১৭ সদস্যের সে কমিটি একটি খসড়া তৈরি করে দেন।
পরবর্তীতে সে খসড়ার আলোকে প্রস্তাব পেশ করার জন্য ইয়ারপোর্ট আশকোনায় একটি মিটিং ডাকা হয়। যে মিটিংয়ের দাওয়াত নামায় আল্লামা শা