মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া আল্লামা আহমদ শফীর বিশেষ চিঠি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

hathajari

আওয়ার ইসলাম

[আজ (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আল্লামা শাহ আহমদ শফীর চিঠি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের প্রতিনিধি দল। বৈঠকে আল্লামা আহমদ শফীর পাঠানো চিঠি পড়ে শোনান মাওলানা আনাস মাদানী। আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য চিঠিটি হুবহু তুলে ধরা হলো ]

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরে
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক)এর সভাপতি
আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী’র মহাপরিচালক
শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী (দা.বা.) এর

বিশেষ চিঠি

বরাবর-
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ঢাকা।

বিষয় : কওমী মাদরাসার শিক্ষা সনদের মান প্রদান প্রসঙ্গে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্।
আশাকরি মহান আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আল্লাহ আপনাকে ও আমাদের সকলকে তাঁর সন্তুষ্টি ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করুন।

আপনার সরকার বাংলাদেশের কওমী মাদরাসাসমূহের সনদের সরকারি স্বীকৃতির যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা অবশ্যই ইতিবাচক এবং অভিনন্দযোগ্য। আমরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। এ সম্পর্কে কিছু বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করা খুব জরুরি মনে করছি।

আমরা আপনাকে জানাতে চাই, আমরা কওমী মাদরাসা সনদের সরকারি মান চাই, তবে তা নিঃশর্ত হতে হবে। শর্ত এবং সরকারি কোন প্রকারের নিয়ন্ত্রণ ব্যতিরেকে দাওরায়ে হাদীসের (টাইটেল) সনদের মান নির্ধারণের দৃষ্টান্ত হিসেবে আমরা আপনার সামনে ভারতের দারুল উলূম দেওবন্দের উদাহরণ পেশ করতে চাই।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!
এ কথা নিশ্চয়ই আপনি জানেন, ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লব ব্যর্থ হওয়ার পর ভারত উপমহাদেশের উলামায়ে কেরাম ও মুসলমানদের উপর যে বিপর্যয় নেমে আসে, তা থেকে উত্তরণের জন্য ১৮৬৬ সালে দারুল উলূম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দেওবন্দ মাদ্রাসা ইসলামী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে সারা দুনিয়ায় সর্বমহলে একটি বহুল পরিচিত নাম। হযরত মাওলানা কাসেম নানুতুভী (রাহ.) ঐতিহ্যবাহী এই দ্বীনি বিদ্যাপিঠ প্রতিষ্ঠা করেন। সূচনাকাল থেকে অদ্যাবধি এই প্রতিষ