মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


ঈদে মীলাদুন্নবীর তত্ত্ব বিশ্লেষণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

۞ মুফতি মাহ্ফুজুর রহমান হুসাইনী

miladunnabiজসনে জুলুসে ঈদে মীলাদুন্নবী। 'সকল ঈদের সেরা ঈদ ঈদে মীলাদ' এই স্লোগানে রাস্তা-ঘাট কেঁপে উঠে। মিছিল, আনন্দ র‌্যালী, মিষ্টি বিতরণ ও খাওয়া দাওয়ার ধুম পড়ে। সম্প্রতি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কতিপয় মুসলমান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্ম দিবসকে কেন্দ্র করে ১২ রবিউল আউয়ালে ঈদে মীলাদুন্নবী সা. উদযাপন করে থাকে। পূর্বে থেকেই পোস্টারিং, দেয়াল লেখন ও মাইকিং করা হয়। কয়েক বছর আগেও এই ঈদের কথা মানুষ জানত না। কুরআন-হাদীসেও এই ঈদ-উৎসবের কোন আভাস নেই।

ইসলামে কেবল মাত্র ঈদ-উৎসব দুটি। হযরত আনাস বিন মালিক রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনায় পৌঁছে দেখলেন বছরে দুটি দিন মদীনাবাসিরা আনন্দ-ফূর্তি করে থাকে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন এ দিন দুটি কিসের?

তারা বলল, আমরা জাহেলি যুগে এই দুই দিন আনন্দ-ফূর্তি করতাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আল্লাহ তায়ালা তোমাদের জন্য এ দুদিনের পরিবর্তে এর চেয়ে উত্তম দুটি দিন দিয়েছেন, তা হল ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতর। আবু দাউদ, হদিস নং-১১৩৬

সহীহ হাদিস দ্বারা স্পষ্ট প্রমাণিত ইসলামে ঈদ-উৎসব শুধু দুটি এবং এটি ইজমায়ে উম্মত দ্বারাও প্রতিষ্ঠিত। যদি কেউ ইসলামে তৃতীয় আরেকটি ঈদের প্রচলন করে তবে তা কখনো গ্রহণযোগ্য হবে না।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, আমাদের এ দ্বীনে নাই এমন নতুন কোন বিষয় কেউ প্রচলন করলে তা প্রত্যাখ্যাত। বুখারি, হাদিস নং-২৬৯৭

আশেকে রাসূলের দাবি করে মূলত ঈদে মীলাদুন্নবী উদযাপন করা হয়। এটা যদি আশেকে রাসূলের বহিঃপ্রকাশ বা ইসলামের অন্তর্ভুক্ত হত তাহলে সাহাবায়ে কেরাম রা. অবশ্যই এই ঈদ পালন করতেন। কেননা, তাঁরাই হলেন নবীজির সবচেয়ে বড় আশেক ও সর্বোচ্চ অনুসারী। পৃথিবীতে তাঁরা নবী প্রেমের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

কোন হাদিসের কিতাবে বা নির্ভরযোগ্য কোন গ্রন্থে তাঁদের থেকে ঈদে মীলাদুন্নবী উদযাপনের সামান্যতম প্রমাণও পাওয়া যায় না।  হাদিসে উল্লেখ আছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুক্রবার ও আরাফাতের দিনের ফযিলত বুঝাতে ঈদ বলেছেন। কিন্তু তাঁর জন্ম দিবস উপলক্ষে ঈদ পালন বা উৎসবের কà¦