বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষায় নাচ-গান ও নাটক অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মহিলা মজলিসের সমাবেশ ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টে দানে মিলবে কর ছাড় ভারতের পুশইন অপচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি: খেলাফত মজলিস বাজেটে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘সুখবর’ বিশ্বকাপ উন্মাদনা: আবেগের উল্লাসে আদর্শের বিসর্জন প্রস্তাবিত বাজেট: দাম কমবে ৬০ পণ্যের

ধর্ম ও ভাষার নামে ভোট চাওয়া যাবে না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

india2আওয়ার ইসলাম: ধর্ম বা ভাষার নামে ভোট চাওয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচন একটি ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়, তাই জাত-পাত, ধর্ম-বর্ণের নামে ভোট চাওয়া যাবে না বলেও রায়ে বলেন আদালত।

আজ সোমবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ধর্ম, বর্ণ, জাতি, সম্প্রদায় অথবা ভাষার নামে ভোট চাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।

দেশটির প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেন। আগামীকাল মঙ্গলবার অবসরে যাওয়ার আগে দেওয়া এই রায়ে প্রধান বিচারপতি ঠাকুর বলেন, সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ তত্ত্ব অনুযায়ী নির্বাচনে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা বাধ্যতামূলক।

রায় ঘোষণার সময় টি এস ঠাকুর আরো বলেন, ‘মানুষ এবং স্রষ্টার মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ একটি ব্যক্তিগত বিষয়। এর সঙ্গে রাষ্ট্র ও নির্বাচনব্যবস্থার কোনো সম্পর্ক নেই।’

রায়ে বলা হয়, রাষ্ট্রের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন জনপ্রতিনিধিকে ধর্মনিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ধর্মের কোনো ভূমিকা নেই, এটা পুরোপুরি ধর্মনিরপেক্ষ কাজ। রাজ্য এবং ধর্মকে মেলানো সাংবিধানিকভাবে অনুমোদনযোগ্য নয়।

কিন্তু সাত বিচারপতির মধ্যে তিনজন এই রায়ে ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, এই রায় গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া তাদের খবরে জানায়, এমন একটি সময়ে সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিলেন, যখন সম্প্রতি ভারতের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। আর এই রাজ্যগুলোর নির্বাচনে ধর্মবিশ্বাস এবং বর্ণপ্রথা একটি প্রধান সমস্যা। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশের ভোটের রাজনীতিতে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ এবং পাঞ্জাবের রাজনীতিতে শিখ ও হিন্দু বিরোধ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ