বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষায় নাচ-গান ও নাটক অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মহিলা মজলিসের সমাবেশ ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টে দানে মিলবে কর ছাড় ভারতের পুশইন অপচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি: খেলাফত মজলিস বাজেটে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘সুখবর’ বিশ্বকাপ উন্মাদনা: আবেগের উল্লাসে আদর্শের বিসর্জন প্রস্তাবিত বাজেট: দাম কমবে ৬০ পণ্যের

পাকিস্তানে চালু হচ্ছে ‘হিন্দু বিবাহ আইন’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

marrigeআওয়ার ইসলাম: স্বাধীনতার ৭০ বছর পর অবশেষে স্বস্তি পাচ্ছেন পাকিস্তানে বসবাসরত হিন্দু নারীরা। পাকিস্তানে আইনে পরিণত হচ্ছে হিন্দু ম্যারেজ বিল ২০১৬। পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ইতোমধ্যেই বিলটি পাস হয়েছে। এবার পাক সিনেটে বিলটি পাশ হয়ে গেলেই সেটি আইনে পরিণত হবে বলে জানা গিয়েছে।

পাক ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সংখ্যালঘু সদস্য রমেশ কুমার জানিয়েছেন, "এই বিল পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দুদের জন্য নতুন বছরের উপহার। "

জানা গেছে, বর্তমানে পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দুরা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১.৬ শতাংশ। দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তানে হিন্দুদের জন্য আলাদা কোনও বৈবাহিক আইন ছিল না। তারা তাদের বিয়ে সরকারের খাতায় নথিভুক্ত করতে পারতেন না। ফলে বহু ক্ষেত্রে প্রবল অসুবিধার সম্মুখীন হতে হত তাদের। বিলটি আইনে পরিণত হলে একমাত্র সিন্ধ প্রদেশ ছাড়া গোটা দেশেই তা চালু হবে। কারণ সিন্ধ গতবছর পৃথক একটি বিল পাশ করিয়েছে।

বিলটি পাশ হয়ে গেলে পাকিস্তানের হিন্দুরা একটি নিজস্ব পারিবারিক আইন পাবেন। এর ফলে পাক হিন্দুরা তাদের বিয়ে নথিভুক্ত করতে পারবেন। এতদিন সেই অধিকার ছিল না। এবার বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য তারা আদালতেও ‌যেতে পারবেন।

বিবাহ নথিভুক্ত করলে পাওয়া ‌যাবে একটি সার্টিফিকেট। নিকাহনামার সমান ম‌র্যাদা পাবে এটি। এই আইনে হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে স্বামীর মৃত্যুর পর অপেক্ষা করতে হবে ৬ মাস।

ডিএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ