বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘তাবলিগ দেওবন্দেরই একটি অঙ্গ; এরসাথে একতা পোষণ ও অংশগ্রহণকে আরো জোরালো করা আলেমদের জন্য খুবই জরুরি’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

mijanur-rahmanদিদার শফিক: আজ বাদ ফজর আম বয়ানের মাধ্যমে টঙ্গীর মাঠে শুরু  হয়েছে বিশ্ব ইজতেমা। সমবেত হয়েছে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লাখ লাখ মুসল্লি। বিশ্ব ইজতেমা দাওয়াত ও তাবলিগের এক উজ্জ্বল নমুনা। উম্মতের কাছে দীন পৌঁছানো ও নিজেকে আমলে পরিশুদ্ধ করার এক বাস্তব ও উদ্ভাসিত দৃষ্টান্ত বিশ্ব ইজতেমা। ইজতেমার গুরুত্ব, প্রভাব ও তাতে অংশ গ্রহণের উপকারিতা ও দায়বদ্ধতার বিষয়ে কথা হয় শায়খ জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদের সঙ্গে।

ইজতেমার প্রভাব কী জানতে চাইলে মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ বলেন, ইজতেমার প্রভাব ব্যাপক ও বিস্তর।ইজতেমার প্রভাব পড়ে সর্বশ্রেণির মুসলমানের উপর। মুসলমানদের মাধ্যমে অমুসলিমদের উপরও এর বিরাট প্রভাব পড়ে। ইজতেমা মূলত দাওয়াত ও তাবলিগের একটি পূর্ণমাত্রার সমন্বিত রূপ। তাবলিগ নবি সা. এর কাজ। তার অবর্তমানে এ দায়িত্ব বর্তায় উম্মতের উপর। এধারা কেয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে হবে। দাওয়াত ও তাবলিগ তথা ইসলামের বিধান ওআদর্শের প্রচার-প্রসার, কার্যত বাস্তবায়নের রূপরেখা না থাকলে নবি সা.এর এ কাজ থেমে যাবে। এ কাজকে অব্যাহত রাখতে ইজতেমার বিরাট প্রভাব রয়েছে।

তবে তাবলিগের বিভিন্ন শাখা আছে। দীনি প্রোগ্রাম, ওয়াজ-নসিহত, তালিম-তায়াল্লুমসহ আরো অনেক কিছু। সবগুলোই তাবলিগ। তবে মানুষের কাছে বড় পরিসরে সহজে দীন পৌঁছে দেওয়ার উত্তম পদ্ধতি হল ইলিয়াস রহ. এর সূচনা করা এ দাওয়াত ও তাবলিগের পদ্ধতি। তাবলিগের কাজের পদ্ধতিটা শুধু নতুন, কাজ একই। নবি ও তার সাহাবিদের কাজ যেমন অন্য দীনি কাজগুলো তেমনি তাবলিগ ও দাওয়াতের কাজও। মৌলিকভাবে ইজতেমা বিশ্ব মুসলিমেদের একটি মিলনমেলা। এর মাধ্যমে মুসলমানদের পরস্পরের একতা,ভ্রাতৃত্ব ও দায়িত্ব পালনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়। ইজতেমা বিরাট প্রভাবসৃষ্টিকারী জনসমাবেশ।

ইজতেমায় আলেমদের অংশ গ্রহণ করাকে কীভাবে মূল্যায়ণ করবেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশে  হক্কানি আলেমদের মূল ও গোড়া হল দারুল উলুম দেওবন