সরকার উদ্যোগী হয়েছে কওমি মাদাসারা শিক্ষার্থীদের কারিগরি প্রশিক্ষণ দিতে। উদ্দেশ্য, কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি করা। এ লক্ষ্যে গত ২৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রজক্ট ও ইকরা বাংলাদেশ একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। সরকারের চাচ্ছে, সারা দেশের কওমি মাদরাসায় এ কারিগরি শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, এ শিক্ষার সংযুক্তি কতোটা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে কওমি মাদরাসার জন্য? কওমি মাদরাসার লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের সঙ্গেও তা কতোটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? নাকি কারিগরি শিক্ষার সুড়ঙ্গ বেয়ে সরকার অনুপ্রবেশ করতে চাচ্ছে কওমি মাদরাসার নিজস্ব অঙ্গণে? এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মাসিক রাহমানী পয়গামের সম্পাদক ও জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা মামুনুল হক। তার সঙ্গে আলাপচারিতায় ছিলেন, আওয়ার ইসলাম টুয়েন্টিফোর ডটকমের বার্তা সম্পাদক আতাউর রহমান খসরু।
আওয়ার ইসলাম : গত ২৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রজক্টের সঙ্গে ইকরা বাংলাদেশের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উদ্দেশ্য কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?
মাওলানা মামুনুল হক : আমি প্রথমেই বলবো, মাদরাসা শিক্ষার যে উদ্দেশ্য এবং মাদরাসা শিক্ষার্থীদের যে দায়িত্ব তার সঙ্গে এ ধরনের কর্মসূচির কিছুটা বিরোধ রয়েছে। ইসলামি শিক্ষার যে উদ্দেশ্য তা পূরণের জন্য শিক্ষার্থীগণ পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছে না। ধর্মীয় জ্ঞানে দক্ষতা অর্জনের জন্য আরও সময় দেয়া প্রয়োজন। সেখানে নতুন একটি বিষয়ের অবতারণার খুব বেশি সুযোগ নেই।
আওয়ার ইসলাম : হঠাৎ সরকার এ ধরনের উদ্যোগ কেনো গ্রহণ করলো? এর পেছনে কী কারণ থাকতে পারে?
মাওলানা মামুনুল হক : সাধারণত সমাজে একটি ভুল ধারনা প্রচলিত আছে, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান পর্যাপ্ত নয়। তাদের জীবন-জীবিকা ও আয়-উপার্জনের জন্য এ ধরনের কারিগরি শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। এটা অজ্ঞতাপ্রসূত; ইসলামি শিক্ষা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকার কারণেই এমনটি মনে করা হয়।
কই সরকার তো সাধারণ শিক্ষায় যারা শিক্ষিত হচ্ছে, বিশেষ কলা অনুষদের শিক্ষার্থীদের জন্য –যারা কà¦