মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ ‘বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই-সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি’ পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইয়েমেনে তীব্র সংঘাত: ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ হুথি যোদ্ধা হতাহত, দাবি সেনাবাহিনীর বইমেলায় শাপলা কর্নার পরিদর্শন করলেন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি মাওলানা নুরুল ইসলাম খাঁনকে দেখতে হাসপাতালে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ

পহেলা বৈশাখে র‌্যালি না করার ঘোষণা আ.লীগের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পহেলা বৈশাখে র‌্যালি না করার গোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বুধবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা র‌্যালি না করার কথা জানান। গণভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা এই তথ্য জানিয়েছেন।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক জানান, র‌্যালি না করার পেছনে কারণ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি কার্যনির্বাহী সংসদকে বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ উদযাপন বা ওই দিনে মঙ্গল শোভাযাত্রা করা সব বাঙালির অনুষ্ঠান। এটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি বানিয়ে লাভ কী? ওইদিন অনুষ্ঠান করতে হলে আমরা ঘরোয়াভাবে করব। গণভবনে ঘরোয়া পরিবেশে আমরা এটা উদযাপন করতে পারি।’

প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ প্রতিবারই বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ রাজধানীতে র‌্যালি করে। ঢাকা মহনগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এই র‌্যালিটি পুরনো ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্ক থেকে শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও অংশগ্রহণ করে করেন।

বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে বাংলা নববর্ষ উৎযাপন হয়ে এলেও আশির দশকের শেষ ভাগ থেকে এ দিবসটিকে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রচলন শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে রাজধানীতে প্রতি বছর এই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার বাইরেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়ে থাকে। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে কিছু ধর্মীয় সংগঠন মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিধর্মীয় সংস্কৃতি ও হিন্দুয়ানি উল্লেখ করে এটি বন্ধের দাবি তুলে আসছে। এ বছরও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধের দাবি তোলা হয়েছে।

অবশ্য, বুধবার এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী  বলেছেন, ‘পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা মুঘল আমল থেকেই শুরু হয়। মঙ্গল শোভাযাত্রা বাঙালি সংস্কৃতিরই অংশ। এটি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এটি যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বাংলা বছরের প্রথম দিন উদযাপন করে। এটি কোনও হিন্দুয়ানি শব্দ নয়। বাংলা নববর্ষ উদযাপনের সঙ্গে ধর্মের কোনও সংযোগ নেই।  এখানে ধর্মকে টেনে আনার কোনও যৌক্তিকতা নেই। এটিকে নিয়ে অনেকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করেন।’ এ বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ