মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


হিজাবই আমাকে ইসলামের পথে এনেছে : নওমুসলিম তানিয়া পোলিং

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : কেবল বস্তুগত সম্পদের প্রাচুর্য মানুষকে দেয় না কাঙ্ক্ষিত সুখ ও প্রশান্তি। আধ্যাত্মিকতামুক্ত  ও ধর্মহীন পরিবেশে ব্যাপক সম্পদ ভোগ করেও মানুষ যে সুখী হয় না তার প্রমাণ হল পাশ্চাত্যের জনগণের প্রশান্তিহীনতা।

পশ্চিমা মতাদর্শের মূল কথাই হল, পার্থিব জীবন ভোগের জীবন। কিন্তু মৃত্যুর পর আর কিছুই নেই। এ বিষয়টি পশ্চিমাদেরকে উদ্দেশ্যহীনতার যন্ত্রণা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ইসলাম বলে, মৃত্যুই মানুষের জীবনের শেষ কথা নয়। পরকালে থাকবে সত কাজগুলোর জন্য পুরস্কার। আর এই চিন্তা নিয়ে ধার্মিক মানুষেরা বেশি বেশি সত কাজ করেন বলে মৃত্যু নিয়ে তারা শঙ্কিত থাকেন না।

অন্যদিকে যারা ধর্মে বিশ্বাসী নন তারা নানা উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা এবং মানসিক রোগে ভোগেন।  অন্যদিকে যাদের ঈমান যত দৃঢ় তাদের মধ্যে এ ধরনের সমস্যা ততই কম। আর এ  কারণেই আর্নেস্ট রেননের মত পশ্চিমা চিন্তাবিদরা মনে করেন, ধর্ম ও ধর্মের প্রতি মানুষের আগ্রহ কখনও বিলুপ্ত হবে না। বরং বস্তুবাদীদের বিরোধিতা সত্ত্বেও ধর্ম চিরকাল টিকে থাকবে। সত্য ধর্মের এই প্রবল আকর্ষণের কারণেই বস্তুবাদীতা আর লাগামহীন স্বাধীনতার প্রতি বিতৃষ্ণ পাশ্চাত্যের অনেকেই ইসলামের মধ্যে খুঁজে পেয়েছেন লক্ষ্যহীনতা ও আত্মপরিচিতিহীনতা থেকে মুক্তি এবং ধ্বংসাত্মক স্বাধীনতার অন্ধকার থেকে আধ্যাত্মিক জ্যোতির্ময়তার আলোকবর্তিকা।  জার্মান নারী তানিয়া পোলিং হচ্ছেন এমনই সৌভাগ্যবানদের একজন।

হামবুর্গের এই নারী মুসলমান হওয়ার ঘটনা তুলে ধরতে গিয়ে বলেছেন: "হামবুর্গের একটি বিপণী কেন্দ্রে হিজাব পরিহিতা একজন মুসলিম নারী ঘুরিয়ে দিয়েছেন আমার জীবনের মোড়। কয়েকজন বান্ধবী আমার সঙ্গে ছিল। আমরা সবাই মিলে ওই মুসলিম নারীকে উপহাস করছিলাম। আমি তাকে বলেছিলাম:  'অসুখ বা রোগের মত এই কী পোশাক তুমি পরেছ?' ওই মহিলা এর উত্তরে দৃঢ়তার সঙ্গে বললেন,  'তুমি কেন নিজেকে এভাবে প্রদর্শন করছে?' এভাবে এক অভাবিত সংলাপের মাধ্যমে তিনি আমাকে এটা বুঝিয়ে দিলেন যে, পোশাক-পরিচ্ছদ, লজ্জা নিবারণ ও পবিত্রতা-এসবই হচ্ছে মানসিক সুস্থতা ও ভারসাম্যের নিদর্শন এবং হিজাবই নারীকে দেয় স্বাধীনতা ও সামাজিক নিরাপত্তা।

এরপর আমরা নিজ নিজ পথে ফিরে গেলাম। কিন্তু ওই মহিলার জোরালো যুক্তি