আওয়ার ইসলাম : সংবিধানে প্রদত্ত চার মূলনীতি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা) এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছাড়া কোন ব্যক্তিকে বিচারক হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে সুপারিশ করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত হাইকোর্টের দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ে এমনটি বলা হয়েছে।
গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগের নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদন নিষ্পত্তি করে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চের দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর্যবেক্ষণে এ বিষয়গুলো উঠে আসে।
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রায়ে সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগে সাতদফা পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।
কওমি স্বীকৃতির বিরুদ্ধে সুন্নীদের রিট খারিজ
তারা যে সাতটি পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন তা হলো:
এক. সংবিধানের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, যেমন- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বাংলাদেশী নাগরিক হতে হবে। ওই মূলনীতি ও চেতনায় বিশ্বাসী ছাড়া কোন ব্যক্তিকে বিচারক হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে সুপারিশ করা যাবে না।
দুই. বিচারক নিয়োগের সুপারিশ করার ক্ষেত্রে মেধাবী, প্রাতিষ্ঠানিক ও উচ্চতর পেশাগত যোগ্যতা সম্পন্ন, সৎ এবং আইনী জ্ঞান সম্পন্ন হতে হবে।
তিন. বিচারক হতে আগ্রহী প্রার্থীদের জীবন বৃত্তান্ত সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দিতে হবে। এটা দেখার পর ইচ্ছা করলে প্রধান বিচারপতি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বিচারক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করতে পারেন।
চার. বিচারক নিয়োগের সুপারিশের ক্ষেত্রে পেশাগত জীবনে একজন ব্যক্তির অর্জিত দক্ষতা ও পারদর্শিতাকে প্রথম বিবেচনায় নেওয়া উচিৎ। ভারতের আইন কমিশনের ৮০তম প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী একজন বিচারকের পেশাগত পরিপক্কতা ও অভিজ্ঞতাকে তার বয়সসীমা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সেটা বিবেচনায় নিয়ে আমাদের অভিমত হলো-সুপ্à¦