বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮


নির্বাচন হতে হবে সবার অংশগ্রহণে: চরমোনাই পীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম ১৯৭১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার চরমোনাই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করীম (রহ.) ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের (বর্তমান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) আমির ও আমিরুল মুজাহিদীন ছিলেন। তাঁর পিতামহ মাওলানা সৈয়দ ইসহাকও (রহ.) এ দেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় আলেম ও বুজুর্গ ছিলেন। তিনি চরমোনাই আলিয়া মাদরাসা থেকে কামিল হাদিস ও বরিশাল সাগরদী আলিয়া থেকে ইফতা সম্পন্ন করেন। তিনি তাঁর বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করীম (রহ.)-এর কাছে থেকে ১৯৯৪ সালে খিলাফতপ্রাপ্ত হন।

২০১৩ সালে থানভি সিলসিলার অন্যতম খলিফা আল্লামা মাহমুদুল হাসান তাঁকে প্রধান খলিফা হিসেবে স্বীকৃতি দেন। তিনি চরমোনাই আলিয়া ও কওমি উভয় শাখার নাজেমে আলার দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি উভয় শাখার পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্বরত। দীর্ঘদিন তিনি চরমোনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

ছাত্রজীবনের পর তৎকালীন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার অন্যতম সদস্য ছিলেন। ২০০৬ সালের ২৫ নভেম্বর বাবার ইন্তেকালের পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও আমিরুল মুজাহিদীনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মোশতাক আহমদ। দৈনিক কালের কন্ঠের সৌজন্যে সাক্ষাৎকারটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

সংবিধান অনুযায়ী তো এ সরকারের অধীনেই আগামী জাতীয় নির্বাচন করতে হবে। শেষ পর্যন্ত যদি এ সরকারের অধীনেই নির্বাচন করতে হয়, তাহলে সেই নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশ নেবে কি না?

পীর সাহেব চরমোনাই : আপনাদের মনে আছে বরগুনার একটি আসনের উপনির্বাচনের কথা। সেই উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল যে তাণ্ডব ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করেছে তাতে এটা স্পষ্ট, কোনো দলীয় সরকারের অধীনে কখনো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। ওই উপনির্বাচনের দিন ক্ষমতাসীন দলের লোকরা কয়েকটি কেন্দ্র থেকে ইসলামী আন্দোলনের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়। নেতাকর্মীদের মারধর করে। আহত অনেà¦