আওয়ার ইসলাম: বিদগ্ধ আলেম ও মুক্তিযোদ্ধার সংগঠক আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। জমিয়তুল উলামা বাংলাদেশের সভাপতি, জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ-এর সভাপতি ও জামিয়া ইকরার শায়খুল হাদিস ও মহাপরিচালক। এছাড়াও ইহসানুল মুসলিমিন নামে তার রয়েছে একটি সেবামূলক সংগঠন।
অন্যান্য জাতীয় ও ধর্মীয় ইস্যুর মতো হাইকোর্টের গ্রিক মূর্তি নিয়ে সরব হয়েছেন দেশের শীর্ষ এ আলেম। গত ১১ এপ্রিল কওমি মাদরাসার শিক্ষা সনদের মান ঘোষণা অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে প্রথম স্পষ্ট ভাষায় গ্রিক মূর্তির অপসারণ দাবি করেন এবং সর্বশেষ তিনি একই ইস্যুতে প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ দাবি করেছেন।
দেশের চলমান জাতীয় ও ধর্মীয় এ ইস্যুতে তার মুখোমুখি হন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব। জানতে চান তার অবস্থান, দাবি ও দাবির যৌক্তিতা সম্পর্কে। খোলামেলা কথা বলেন তিনিও।
আওয়ার ইসলাম : প্রথমত গ্রিক মূর্তি সরানো এবং পুনরায় প্রতিস্থাপনে মুসলমানদের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বলুন?
আল্লামা মাসঊদ : সুপ্রিমকোর্ট একটি নিরপেক্ষ জায়গা। দেশের সকল মানুষের বিচারিক আশ্রয়স্থল। কোনো নিরপেক্ষ জায়গায় যদি এমন কিছু করা হয় যা কোনো বিশেষ কোনো সম্প্রদায় বা সমাজের একাংশ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধের পরিপন্থী তখন মানুষের বিরূপ প্রতিক্রিয়া হওয়াটা স্বাভাবিক।
সেক্ষেত্রে সুপ্রিমকোর্টের সামনে গ্রিক দেবির মূর্তি স্থাপনে মুসলমানরা স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। যখন সেটি অপসারণ করা হলো তখন তারা খুশি হলো। কিন্তু আবার যখন সেটা অন্য কোথাও প্রতিস্থাপন করা হলো তখন সাধারণভাবেই বিষয়টি তারা মেনে নিতে পারছে না।
কেননা মৌলিকভাবে মূর্তি পুজা, মূর্তি বানানো বা মূর্তি সংরক্ষণ ইসলামে নিষিদ্ধ। আবার এটাও সত্য কারো ধর্মীয় কাজে ইসলামে বাধা প্রদানও করে না। কিন্তু মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করা হয় এমন কিছু মুসলমান স্বাভাবিকবাবেই মেনে নিতে পারে না।
এখানে বলা হচ্ছে মূর্তি নয় ভাস্কর্য। যারা বলছে তারা মানুষকে বোকা বানাতে চাচ্ছে। আসলে ভà¦