বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮


১৪ দলকে যে কয়টি আসন ছাড়তে পারে আ.লীগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আগামী নির্বাচনে ১৪ দলের শরিক দলগুলোকে সর্বোচ্চ ১৫টি আসন ছেড়ে দিতে পারে আওয়ামী লীগ। জোটের আসন পাওয়ার মতো দলের সংখ্যাও ৪ থেকে ৫টির বেশী হবে না।

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল আসন সমঝোতার মাধ্যমে ঐক্যবব্ধভাবে অংশ গ্রহণ করবে। গত দু’টি নির্বাচনেও আসন ভাগাভাগি হয়। সে অনুযায়ী, আগামী নির্বাচনে ১৪ দলের শরিক দলগুলোকে আওয়ামী লীগ কতটি আসন ছেড়ে দেবে সে বিষয়টি ইতিমধ্যে আলোচনায় আসতে শুরু করেছে। তবে গত দু’টি নির্বাচনে এ জোটের শরিকদের যতোটা আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছিলো আগামী নির্বাচনে সেই সংখ্যার তেমন একটা এদিক সেদিক হবে না বলে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণি পর্যায়ের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪ দলের শরিকদলগুলোর মধ্য থেকে ৪টি দলকে ১১টি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টি পায় ৪টি। এর বাইরে আরও ২টি আসনে ওয়ার্কার্স পার্টি বিজয়ী হয়। বর্তমানে সংসদে ওয়ার্কার্স পার্টির ১টি সংরক্ষিত নারী আসনসহ মোট ৭ জন এমপি রয়েছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ওয়ার্কার্স পার্টিকে ৩টি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। নির্বাচিত হয় ২টিতে।

গত নির্বাচনে জাতীয় সমাতান্ত্রিক দল (জাসদ-ইনু)কে ছেড়ে দেয় ৪টি। এর মধ্যে ৩টিতে জয়ী হয়। এর বাইরে জাসদ আরো ২টি আসনে বিজয়ী হয়। বর্তমানে সংসদে জাসদের ১টি সংরক্ষিত নারী আসনসহ ৬ জন এমপি রয়েছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জাসদকে ৪টি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৩টিতে নির্বাচিত হয় জাসদ।

এদিকে গত নির্বাচনের আগে ১৪ দলের জোটে যোগ দেয় আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর জাতীয় পার্টি (জেপি) ও তরীকত ফেডারেশন।

নির্বাচনে জেপিকে ১টি ও তরীকত ফেডারেশনকে ২টি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়। এই দুই দলের প্রার্থীরা ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোতে জয়ী হয়ে আসেন।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করবে আওয়ামী লীগ। সেই সঙ্গে শরিকদের আসন ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করবে। দলের প্রার্থীর অবস্থা, তার জনপ্রিয়তা ও ওই দলের সাংগঠনিক অবস্থা এসব কিছুই বিবেচনায় আনা হবে। আগামী নির্বাচনে বিএনপিসহ সব দল অংশ নেবে। এর ফলে নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। তাই প্রার্থী মনোনয়ন বা আসন ছেড়ে দেওà§