বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮


আগামী নির্বাচনে হাসিনার প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা নন, ইউনূস: ভারতীয় পত্রিকা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম :আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ভয় পান না। কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশেষ বিবেচনা করছেন। ভারতের তেহেলকা ডটকমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের গৌহাটির বিশিষ্ট সাংবাদিক নভ ঠাকুরিয়া।

তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কে বেশি জনপ্রিয়- একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নাকি তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশের একজন প্রধানমন্ত্রী? তার ভাষায়, এমন প্রশ্ন বাংলাদেশের মানুষের কাছেও একটি প্রধান প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি তার প্রতিবেদনে বলেন, গত এক দশক ধরে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিকে শাসন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ইউনূস ব্যাংকার থেকে সামাজিক বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিতি পান এবং তার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর থেকে তিনি দেশের মানুষের নজর কাড়তে শুরু করেন।

ভারতীয় ওই সাংবাদিকের মতে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা দারিদ্রপীড়িত দেশটিতে তার রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখেছেন। বাংলাদেশের মানুষ আগামী দিনে নির্বাচনের জন্যে অপেক্ষা করছে যখন বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে দৃশ্যত তার অবস্থান হারিয়েছেন।

সাংবাদিক নভ ঠাকুরিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ প্রধানের জন্যে প্রফেসর ইউনূস তাই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী, যিনি শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। এবং ইউনূস বাংলদেশের ১৭ কোটি মানুষের ওপর প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা রাখেন। বিভিন্ন সময়ে শেখ হাসিনা ইউনূসের সমালোচনা করেছেন। মুসলিম অধ্যুষিত দেশটির একজন নোবেল বিজয়ী সরকার প্রধানের সমালোচনার বাইরে নন।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের উন্নয়নের বিরুদ্ধে কাজ করছেন। বিদেশ ভ্রমণেও হাসিনা -ইউনূসকে গরিব মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত সুদে ঋণদাতা বা রক্তচোষা ব্যক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন। অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে গরিব নারীদের জন্যে ক্ষুদ্র ঋণ দেয়ার জন্যে প্রফেসর ইউসূসের দীর্ঘদিনের ইতিহাস রয়েছে। কয়েক দশক আগে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০০৬ সালে তার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনিও নোবেল পুরস্কার পান।

পরবর্তীতে শেখ হাসà¦