বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮


মদিনায় হিজরত থেকে কেন ইসলামি ক্যালেন্ডারের সূচনা?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি মুহাম্মাদ রাশিদুল হক
অতিথি লেখক, আওয়ার ইসলাম

আল্লাহ পাক তার ইবাদতের জন্য মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন। তাদের হিদায়াতের জন্য যুগে যুগে নবী ও রাসূলগণকে প্রেরণ করেছেন। তাঁরা দিন-রাত মানুষকে আহ্বান করেছেন আল্লাহর পথে।

কিন্তু উম্মাতের সব মানুষ নবী তাঁদের দাওয়াত কবুল করেনি। বরং সিংহভাগ মানুষ তাদের আহবান প্রত্যাক্ষাণ করেই ক্ষান্ত হয়নি; বরং আল্লাহর এই প্রিয় বান্দাদের নানাভাবে অত্যাচার ও নিপীড়ন করেছে। তাঁদের ইবাদতে-দাওয়াতে বাধা-বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। এমনকি তাদের মাতৃভূমি থেকে উৎখাত করা হয়েছে এবং হত্যার যড়যন্ত্র করা হয়েছে।

মাতৃভূমির আকর্ষণ ত্যাগ করে, আত্মীয়-স্বজন ও পরিবার-পরিজনের মায়া-বন্ধন ছিন্ন করে আল্লাহর রাহে বাড়ি-ঘর ত্যাগের এই মহান গুরুত্বপূর্ণ আমল যেমন বাহ্যিক দৃষ্টিতে তাঁদের জন্য খোদার প্রেমের কঠিন পরীক্ষা তেমনি তার অভ্যন্তরে নিহিত থাকে আল্লাহর সাহায্যের সূচনা।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘অবশেষে যখন রাসূলগণ নিরাশ হয়ে পড়েন এবং কাফিররা ভাবল যে, তাদেরকে মিথ্যা ধমকই দেওয়া হয়েছিল, তখন তাদের কাছে নেমে এল আমার সাহায্য। সূরা ইউসুফ : ১১৬

যে সকল নবীর জীবনে হিজরতের ঐশী আদেশ এসেছে, তা এসেছে চূড়ান্ত পরীক্ষা ও বিজয়ের সূচনা হিসেবে। এই ধারায় রাসূলুল্লাহ সা. এর জীবনেরও হিজরতের মহান ত্যাগের স্বাক্ষর রাখতে হয়।

মুসলমানদের উপর কাফিরদের নির্যাতন সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল অনেক আগেই। সাথে তারা সাহাবীদের ঘরের কোণের ইবাদত-বন্দেগীতেও বাধার সৃষ্টি করছে। তখন তিনি আল্লাহর নির্দেশে নিরাপদভাবে আল্লাহর ইবাদতের নিমিত্তে সাহাবীদের মধ্যে যাদের পক্ষে সম্ভব হয় তাদেরকে আবিসিনিয়ায় হিজরতের পরামর্শ দিলেন।

নবীজীর পরামর্শে নবুওয়তের পঞ্চম সনে প্রথমবারের মতো প্রায় পনেরজন মুসলমানের একটি ছোট্ট কাফেলা আবিসিনিয়ার পথে মক্কা থেকে হিজরত করেন। পরবর্তী বছর আরো প্রায় এক’শ জনের একটি বিশাল কাফেলা একই দেশে হিজরত করেছেন।

নানা নির্যাতনসহ নামাযের সময় সিজদারত নবীজীর কাঁধে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ তুলে দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখিয়ে তারা নবীজী ও সাà¦