আওয়ার ইসলাম: অন্যান্য বারের মত এ বছর ২০১৭ সালের হজ ব্যবস্থাপনায়ও গুরুতর অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা পরিলক্ষিত হয়েছে। টাকা নিয়ে সৌদি আরবে হাজী না পাঠানো, দেরিতে ফ্লাইট দেওয়া, সৌদিতে আবাসন সমস্যা, মুয়াল্লিম ফি না দেওয়া, নিম্ন মানের খাবার সরবরাহ, খাবার ও পানির সংকটসহ নানান অভিযোগ হজ এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে।
সৌদিতে বাংলাদেশ দুতাবাস, বাংলাদেশ হজ মিশন, বাংলাদেশে ধর্ম মন্ত্রণালয়, হাব, আদালত ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে জমা পড়েছে হাজীদের বিস্তর অভিযোগ। এসব অভিযোগ বিষয়ে সুরাহা করতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে এসব সংস্থাকে।
ইতোমধ্যে অভিযোগ তদন্তে মাঠে নেমেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়, দুদক ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একাধিক টিম।
জানা যায়, এ বছর মক্কা হজ মিশনে ৭৯টি হজ এজেন্সীর বিরুদ্ধে মোট ১০৭টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা।
অন্যদিকে এ বছর হজে যেতে না পারা ৩৬৬ জন ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে শাস্তি পেতে যাচ্ছে ২৮টি হজ এজেন্সী। সৌদি আরবে মোয়াল্লেম ফির বকেয়া ৫০০ রিয়াল পরিশোধ না করায় ২০টি হজ এজেন্সীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
জানা যায়, হজের ৩ দিন মিনা, আরাফা ও মুযদালিফায় থাকা-খাওয়া ও যাতায়াতসহ প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দিয়ে থাকে সৌদি কর্তৃপক্ষ মুয়াসসাসা। কিন্তু এ বছর তাদের কিছু ত্রুটি ও অবহেলার কারণে খেসারত দিতে হয়েছে বাংলাদেশী হাজীদের।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে, হজ্ব এসেন্সীস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর মহাসচিব শাহাদাত হোসাইন তসলিম জানান, হজ শেষে মক্কার কাকিয়ার লাইলিন নূর কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত হাবের নৈশভোজে মুয়াসসাসা দক্ষিণ এশিয়া জোনের ডিজি ওমর সিরাজ আকবরের কাছে মুয়াসসাসার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ তথ্য-প্রমাণসহ আমরা তুলে ধরেছি।
বাংলাদেশে অভিযুক্ত হজ এজেন্সীগুলোর সাথে অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করলে উঠে আসে নানান তথ্য।
বেশির ভাগ এজেন্সীর মালিক জানান, তারা হজ ব্যবস্থাপনার মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের প্রতারণার শীকার- যারা হজ ব্যবস্থাপনায় গ্রুপলিডার নামে পরিচিত।
উল্লেখ্য প্রতিটি হজ এজেন্সী বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে হজ যাত্রী সংগ্রহ করেন।
মূলত এই শ্রেণিটিই হাজীদের কাছ থেকে অর্থ সà