কাউসার লাবীব : পারিবারিক বন্ধন মহান স্রষ্টার অপার ও নিপুন এক উপহার । সামাজিক বন্ধন শুধু মানবের জন্য হলেও পরিবারিক বন্ধন রয়েছে সৃষ্টি জগতের প্রায় সব প্রাণীর মাঝে। তবে পারিবারিক বন্ধনের বিমগ্ধলগন মানুষের জীবন চলার পাথেয়।
দিনের শেষে সন্ধ্যা এলে আমরা ফিরে আসি বাসস্থানে, পরিবারের আত্মিক বন্ধনে। রাতের আঁধার দূর করি ভালবাসার আলোয়ে। পুরোদিনের ব্যতিব্যস্ত মন সবকিছু ভুলে সম্প্রীতির জোছনায় গা ভেজায়। আমাদের অবসাদ চোখ পাপড়ি মিলিয়ে খুঁজে পায় নতুন এক বসন্ত। সবুজ পত্রপল্লবে সজীব ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শ্রান্তমন।
আবার রাত শেষে প্রভাত এলে ছুটে চলি নিজ কর্মস্থলে। তবে দেহ আমাদের সঙ্গে চললেও মন থেকে যায় পরিবারে । আবার কখন গোধুলী এসে সন্ধ্যা নামিয়ে আনবে, ফিরব পারিবারের প্রিয়জনদের কাছে , ওই চিন্তায় উদগ্রীব হয়ে থাকে মন।
আর এ মনের টানের বড় কারণ, মহান প্রভু সৃষ্টিগভাবেই পারিবারিক বন্ধনের ভালবাসা আমাদের হৃদয়ে গেঁথে দিয়েছেন।
কিন্তু বড় দুঃখ ও পরিতাপের বিষয়। যতদিন যাচ্ছে আমাদের পারিবারিক বন্ধন ততই শিথিল হচ্ছে। চেষ্টা করছি ছিন্ন করতে নাড়ির টান। কেননা চারপাশের পরিবেশ ক্রমেই আমাদের যান্ত্রিক ও পোশাকী করে তুলছে। এক পরিবারের সদস্য হয়েও প্রত্যকে যেন আলাদা গ্রহের বাসিন্দা।আর এ চিন্তাচেতনা আমাদের ঠেলে দিচ্ছে বিপদের দিকে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে দিন দিন বাড়ছে হার্টের রোগী। ক্রমেই মানুষ এ প্রাণঘাতী অসুখে আক্রান্ত হচ্ছেন। হা্র্টের রোগে প্রাণ হারাচ্ছেন শিশু থেকে কিশোর তরুণ থেকে যুবক , বৃদ্ধ বণিতা অনেকেই। এ রোগ থেকে কিছুটা উপশমের জন্য ডাক্তারগণ বলে থাকেন সকালের মুক্ত বায়ু সেবন করতে। সেবন করা হচ্ছে মুক্ত বায়ু, আবিষ্কার হচ্ছে উন্নত থেকে অতি উন্নত মেডিসিন। কিন্তু শেষ রক্ষা কি হচ্ছে?
হার্টের রোগ ক্রমেই বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ খুঁজতে গিয়ে অবশেষে বেড়িয়ে এসেছে মূল রহস্য। পারিবারিক বন্ধনের দীপগুলো আলো হারানোর কারণে শক্তি হারাচ্ছে মানুষের হার্ট। এ বিপদ থেকে রক্ষা পেতে পারিবারিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির বিকল্প আছে কি?
মানবতার নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষকে এমন বিপদসঙ্কুল অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে পারিবারিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির দিকেই ইঙ্গিত করেন।
তিনি বলেন-
যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক প্রশন্ত হোক এবং আয়ু বর্ধিত হোক, সà