রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সেবায় ঘাটতি, ২১ ওমরাহ কোম্পানির কার্যক্রম স্থগিত করল সৌদি ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদে ঢুকে গুলি, আহত ২ রাশিয়ায় ধরপাকড়ের মুখে আলেমরা, বাড়ছে ইসলাম বিদ্বেষ মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারী আহত ভারতের সীমান্ত হত্যা ও পুশইন নীতি গভীর উদ্বেগজনক’ নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলি, ৫ পুলিশসহ আহত ৮ শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ বাতিল চায় জমিয়ত নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ ভাইয়ের মৃত্যু, আহত ১ আমাকে হারাতে শত শত কোটি ব্যয় করা হয়েছে: শায়খে চরমোনাই

সিরিয়ায় আটক দুই আইএস যোদ্ধার বিচার হবে কোথায়?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সিরিয়ায় গত মাসে ধরা পড়া ইসলামিক স্টেটের দুই ব্রিটিশ যোদ্ধাকে গুয়ানতানামোয় পাঠানো হবে? নাকি তাদের বিচার হবে? বিচার যদি হয় তাহরে কোথায় হবে? আমেরিকায় না আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে? এ নিয়ে ব্রিটেন-আমেরিকা জুড়ে  চলছে জোর গুঞ্জন।

বলা হচ্ছে আলেক্সান্ডা কোটি আর এল শাফি এলশেখ নামে এই দুই আই এস যোদ্ধা আই এসের এমন একটি সেলের অংশ ছিল - যারা পশ্চিমা জিম্মিদের শিরশ্ছেদ করতো।

এর হচ্ছে চার আউএস যোদ্ধা দলের জীবিত দুজন - যাদের ব্রিটিশ টানের ইংরেজির জন্য অন্য আইএস যোদ্ধারাই ১৯৬০ এর দশকের বিখ্যাত পপ গ্রুপের নামে তাদের নাম দিয়েছিলো ‘বিটলস’।

এই দলের বাকি দুজনের একজন ছিল মোহামেদ এমওয়াজি - যার ক্যামেরার সামনে ছুরি হাতে জিম্মিদের শিরশ্ছেদ করার ভিডিও সারা দুনিয়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ২০১৬ সালে রাক্কার কাছে এক ড্রোন হামলায় সে নিহত হয়। এ দলের আরেকজন তুরস্কের কারাগারে বন্দী।

আইএসের হাতে নিহত হয়েছেন ব্রিটিশ জিম্মি এ্যালান হেনিং এবং ডেভিড হেইনস। মি. হেইনসের মেয়ে বেথানি বলেছেন, তিনি চান তার বাবার হত্যাকারীদের ধীর এবং যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু হোক, এবং তিনি কোটে এবং এলশেখকে কাঠগড়ায় দেখতে চান।

কিন্তু এ দুজনের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করা করা হয়েছে বলে বিবিসি বলছে। তাহলে এদের বিচার হবে কোথায়?

বলা হচ্ছে, এই দুই আইএস সদস্যকে হয়তো গুয়ানতানামো বে'-র মার্কিন সামরিক বন্দীশিবিরে পাঠানো হতে পারে। অথবা হয়তো জেমস ফোলি, পিটার কাসিগ এবং স্টিভ সটলফের মতো মার্কিন নাগরিকদের হত্যার অভিযোগে আমেরিকার আদালতেও বিচার হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা দফতর বলেছে, তারা এখনো বিকল্পগুলো বিবেচনা করছে।

অথবা তাদের হয়তো দি হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতেও তোলা হতে পারে - যে আদালতে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আগ্রাসনের বিচার হয়। তবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুরোধ ছাড়া - শুধু মাত্র কোন দেশ বিচার না করলে বা করতে অক্ষম হলেই দি হেগে কারো বিচার হতে পারে।

আইএস যাদের শিরশ্ছেদ করেছিল তাদের মধ্যে দুজন হলেন জাপানি নাগরিক - হারুনা ইউকাওয়া এবং সাংবাদিক কেনজি গোতো। এ কারণে জাপানের মাটিতেও তাদের বিচার হতে পারে।

অথবা এমনও হতে পারে যে তারা হয়তো সিরিয়াতেই রয়ে যাবে। কিন্তু সেখানকার পরিস্থিতি এমন যে কখন কি হয় কিছুই বলা যায় না। সুত্র: বিবিসি বাংলা।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ