আওয়ার ইসলাম: মার্চ মাসের ২তারিখ শুক্রবার বাদ জুমা বায়তুল হক জামে মসজিদ ঢালকা নগর ঢাকার বয়ানে শায়খুল হাদিম মাওলানা আবদুল মতিন বিন হুসাইন বলেন, হযরত শাহ আবরারুল হক রহ. দুনিয়ার যেখানেই গিয়েছেন কাফের মুশরিকরা পর্যন্ত হযরতকে সম্মান-শ্রদ্ধা করতো।
হযরত যখন হারদুয়ীর দিকে যেতেন রাস্তায় হিন্দুরা দাঁড়িয়ে কুর্নিশ করতো, আদাব জানাতো।
কোনো হিন্দু আবার হযরতকে দেখলে দূর থেকে সিজদায় পড়ে যেতো। হযরত জোরে বলতেন ‘মাখলুখ কু সিজদা কর না মামনু হে’ কোনো সৃষ্টিজীবকে সেজদা করা নিষেধ। তিনি এটা বলেই চলে যেতেন।
সেখানে ঝগড়া বাধিয়ে দিতেন না। তাই বলি দীনের কাজ করতে সমজ বা বুঝ জরুরি। দীনের কাজ করতে গিয়ে যদি সমজ বা বুঝ না থাকে তাহলে সে অবশ্যই ঝগড়া বা প্যাচ লাগিয়ে দিবে।
দুনিয়াতে এমন কোনো দেশ নাই যেখানে সব একই চিন্তা ধারার মুসলমান আছে। এমন কোনো দেশ নাই। সব দেশেই বহু ধরনের মুসলমান আছে। তাদের মতপথে ভিন্নতা আছে।
আপনি জর্ডান বলেন- মিশর, আফগানিস্তান, ভারত, ব্রুনাই এসব দেশে কত ধরনের মুসলামান আছে। তাই আমাদের কী উচিৎ আমার মতের সাথে না মিললেই বাস তাকে হত্যা কর সে বাতিল এটা সেটা। এগুলো তো ঠিক না। তাই দীনের সমজ বা বুঝ অত্যান্ত জরুরি।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘তোমরা আল্লাহর দিকে মানুষকে আহ্বান কর হেকমতের সাথে সুন্দর উপদেশ দ্বারা ডাকতে হবে।’ আর যারা কাফের তাদের ইসলামের দাওয়াতের ক্ষেত্রে আল্লাহ বলেছেন, আগে তাদের সাথে এমন আচরণ কর যাতে তাদের সাথে তোমাদের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। আর তোমরা তাদের উত্তম অাদর্শের মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্যের মাধ্যমে দাওয়াত দিবে।
বিরুদ্ধাবাদিদের দাওয়াতের ক্ষেত্রে ক্ষেপিয়ে তোলা, গরম বক্তৃতা করা ঠিক না। বরং তাদেরকে নরম ও ভালোবাসার মাধ্যমে দাওয়াত দিতে হবে। হাকিমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভি রহ. বলেন ‘আওয়াম কো মুশতায়েল নাহ কর না চাহিয়ে’ সাধারণ মানুষকে দীনের কথা বলতে গিয়ে ক্ষেপিয়ে তোলা ঠিক না।
বর্তমান আমাদের দীন প্রচারকগণ দীনের প্রচার আর ওয়াজের ময়দানকে যুদ্ধের ময়দানের সাথে গুলিয়ে ফেলেছে। যুদ্ধের ময়