বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ।। ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচারে করণীয় নির্ধারণে কাল হাইআতুল উলয়ার জরুরি সভা বন্যার্তদের পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল, দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবা কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা, অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তির দাবি হেফাজতের মিসওয়াকের গুরুত্ব ও ফজিলত জুলাই সনদের আলোকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় শায়খ আহমাদুল্লাহর ছয় দফা সংস্কার প্রস্তাব রাতের মধ্যে দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা  মাদরাসায় শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা নিশ্চিতে বেফাকের একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা নেত্রকোনায় সমাজসেবা ভবনের লিফটে আটকা পড়া ৭ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার সরকারি হজ গাইড নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদন করা যাবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

‘অভিযুক্তদের বিচার করতে না পারলে আমাদের গুলি করে মারুন’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের কাঠুয়ার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার আসিফা বানুর মা বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

একটি ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, তার মেয়ে যদি বিচার না পায় তাহলে তাদের চারজনকে যেন গুলি করে মেরে ফেলা হয়। ‌কারণ অভিযুক্তরা ছাড়া পেলে তাদের বাঁচতে দেবে না। সবার আগে তাদের খুন করবে।

তাদের হাতে মরার থেকে পুলিশের গুলি খেয়ে মরাকে অনেক বেশি সম্মানের বলে মনে করেন তারা।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগঠে কাঠুয়ার নির্যাতিতার পরিবার।

সেকারণেই নির্যাতিতার বাবা মামলাটি জম্মুর বাইরে কোনও আদালতে নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছিল শীর্ষ আদালতে। কারণ কাঠুয়ায় তাদের আইনজীবীকে মামলা লড়তে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী চার্জশিটও জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছিলেন।

আসিফা বানু ধর্ষণ-হত্যা; কাশ্মিরিরা কি এভাবেই পঁচে মরবে?

নির্যাতিতার মা অভিযোগ করেছেন মামলাটি যাতে সিবিআইয়ের হাতে যায় সেজন্য তাদের উপর চাপ তৈরি করছে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতারা। কিন্তু তারা চাইছেন রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দারাই মামলাটির তদন্ত করুক। অভিযুক্তদের বাঁচানোর জন্যই সিবিআই তদন্তে করার চাপ তৈরি করা হচ্ছে।

নির্যাতিতার মা আরও অভিযোগ করেছেন, তাদের মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানানোর পরেও উদ্যোগী হয়নি পুলিশ। সাতদিন পর খোঁজাখুঁজি শুরু করে। প্রথম থেকে উদ্যোগী হলে হয়ত তাদের মেয়ে বেঁচে থাকত।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কাশ্মিরের কাঠুয়া শহরের কাছে মুসলমান যাযাবর সম্প্রদায়ের আসিফা বানু নিখোঁজ হয়। এর সাত দিন পর কাছের একটি জঙ্গলে তার মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়। তদন্তে জানা যায়, একদল হিন্দু তাকে গুম করে একটি মন্দিরে তিনদিন রেখে ধর্ষণের পর হত্যা করে।

সূত্র: আজকাল, ইন্ডিয়া

-আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ