বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ।। ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচারে করণীয় নির্ধারণে কাল হাইআতুল উলয়ার জরুরি সভা বন্যার্তদের পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল, দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবা কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা, অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তির দাবি হেফাজতের মিসওয়াকের গুরুত্ব ও ফজিলত জুলাই সনদের আলোকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় শায়খ আহমাদুল্লাহর ছয় দফা সংস্কার প্রস্তাব রাতের মধ্যে দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা  মাদরাসায় শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা নিশ্চিতে বেফাকের একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা নেত্রকোনায় সমাজসেবা ভবনের লিফটে আটকা পড়া ৭ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার সরকারি হজ গাইড নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদন করা যাবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

কিশোরগঞ্জের ইমাম হত্যা মামলায় ১১ জনের যাবজ্জীবন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার সূুতিনকলা গ্রামের স্থানীয় ইমাম মেরাজউদ্দিন মুন্সি হত্যা মামলায় তিন সহোদরসহ ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার দণ্ড দেওয়া হয়েছে। কিশোরগঞ্জের তৃতীয় আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবু তাহের আজ বুধবার (৯ মে) আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, আল্লাদ শাহ, মোকলেছুর রহমান শাহ ও আতাউর রহমান শাহ, শামসুদ্দিন শাহ, সফির উদ্দিন শাহ, রঞ্জন শাহ, অহিদ শাহ, চন্দন শাহ, আসলাম মিয়া, মন্টু মিয়া ও জামাল শাহ।

তাছাড়াও আসামি সবুজ মিয়া, কাঞ্চন সাহা, ফজলু সাহা, রফিক ভুইয়া, জালাল উদ্দিন শাহ ও লিটনকে দণ্ডবিধির ৩২৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাস দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া দণ্ডবিধির ১৪৮ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। উভয় দণ্ড একসঙ্গে চলবে। সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর আট আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০০ সালের ২৪ মার্চ সকালে কটিয়াদী উপজেলার ধুলদিয়া ইউনিয়নের সূতিনকলা গ্রামে ধানকাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দেশিয় অস্ত্রের আঘাতে মারা যান স্থানীয় মসজিদের ইমাম মেরাজউদ্দিন মুন্সি ওরফে আবু জাহের।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবু বকর বাদি হয়ে কটিয়াদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে মোট ৩৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার বিচার চলাকালে আট আসামি মৃত্যুবরণ করে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম.এ. রশিদ।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ