মাওলানা ইমদাদুল হক । ।
ভবিষ্যতের উজ্জ্বল জীবনের প্রত্যাশী ও পরিশ্রমী ছাত্রের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আনন্দের ও আকাঙ্খিত সময় হচ্ছে পরীক্ষার দিনগুলো। যদিও সে সময়গুলোতে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে তুমুল ব্যস্ততার ভেতর থাকতে হয়। কেননা পরীক্ষার মাধ্যমেই তার সারা বছরের পরিশ্রমের ফল প্রকাশ পায়, তার যোগ্যতার প্রকাশ ঘটে এবং ভবিষ্যতের সঞ্চয় জমা হয়।
আর এ কারণেই পরীক্ষার আগের দিনগুলোও তার কাছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এ দিনগুলোতে সে পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করে, সময় নষ্ট করে না। পরীক্ষার হলে যা করে, এ দিনগুলোতেও তা-ই করে।
সারাটা সময় কাজে লাগিয়ে শুধু পড়ে আর লেখে। আর দিন গুণে- কয়দিন থাকল পরীক্ষার!
আখিরাতের ভবিষ্যত জীবনে বিশ্বাসী মুমিনের কাছে তো দুনিয়ার জীবনের পুরোটা সময়ই পরীক্ষার কাল। মহান আল্লাহ বলেন, তিনি সেই সত্তা যিনি মরণ ও জীবন সৃষ্টি করেছেন তোমাদের পরীক্ষা করে দেখবার জন্য- তোমাদের মধ্যে কে কর্মে উত্তম; আর তিনি পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল (আলকুরআন ৬৭: ২)।
তবে এসবের মধ্যেও রমাযান মাসটা তার কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। কেননা সে চায়, মহান আল্লাহ, যিনি বিচার দিবসের মালিক, তাঁর কাছে প্রিয়ভাজন ও সম্মানিত হতে। আর সে জানে, আল্লাহর কাছে সম্মানের মাপকাঠি তাকওয়া আর তাকওয়া অর্জনের বিশেষ সময় রমাযান মাস।
মহান আল্লাহ বলেন, হে মুমিনগণ, তোমাদের উপর সিয়াম বিধিবদ্ধ করা হল, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার (আলকুরআন ২: ১৮৩)।
হাদীস শরীফে এসেছে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন রমাযান মাস প্রবেশ করে তখন জান্নাত, রহমত বা আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, তার একটাও বন্ধ করা হয় না; জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, তার একটাও খোলা হয় না; আর শয়তানগুলোকে শিকলে বেঁধে ফেলা হয়।
একজন ঘোষক ঘোষণা করতে থাকেন, হে কল্যাণকামী, অগ্রসর হও, আর হে অকল্যাণ প্রত্যাশী, বিরত হও। আর সে সময়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে অগণিত মানুষকে ক্ষমা করা হয়, রমাযান শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রতি রাতেই এটা চলতে থাকে (সহীহ বুখারি-১৮৯৯; সহীহ মুসলিম-১০৭৯; সুনান তিরমিযি-৬৮২; জামিউল উসুল ৯/২৫৮)।
অন্য হাদীসে এসেছে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আদম সন্তানের সকল আমলেà