বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ।। ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘হাদিসের মজলিস পুনরুজ্জীবন উম্মাহকে নবীজির সঙ্গে যুক্ত করে’ বুধবার সারা দেশে এনসিপির বিক্ষোভ-সমাবেশ ইরান ইস্যুতে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর অষ্টম বৈঠক অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য মিডল্যান্ড শাখার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দারুল উলুম দেওবন্দের মজলিসে শূরার অধিবেশনে বাজেট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব অনুমোদন কওমি মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচারে করণীয় নির্ধারণে কাল হাইআতুল উলয়ার জরুরি সভা বন্যার্তদের পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল, দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবা কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা, অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তির দাবি হেফাজতের মিসওয়াকের গুরুত্ব ও ফজিলত জুলাই সনদের আলোকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান

রাজধানী ঢাকায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ১৩৮৪ জন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অাবদুল্লাহ তামিম: রাজধানী ঢাকায় তালিকাভুক্ত ১৩৮৪ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রয়েছেন।

৪৯টি থানা এলাকায় নিজস্ব জোন ভাগ করে তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছেন তারা। এসব মাদক ব্যবসায়ীর কাছে টেকনাফ, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে মাদকের বড় বড় চালান চলে আসছে প্রতিনিয়ত।

সড়ক পথের পাশাপাশি নৌপথ দিয়েও রাজধানীর মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে মাদক পৌঁছায় সিন্ডিকেটের সদস্যরা। তবে রাজধানীতে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত উৎকোচ নিচ্ছেন কিছু রাজনীতিক নেতা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক শ্রেণির কর্মকর্তা।

এ কারণে এসব ব্যবসায়ী ছিল ধরাছোঁয়ার বাইরে আছে এসব ব্যবসায়ীরা। তাদের কারণে রাজধানীর অলিগলি, পাড়া-মহল্লায় অবাধে পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য।

এবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ১৩৮৪ জনের তালিকা ধরে মাদক নির্মূলে সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে। পুলিশ, গোয়েন্দা ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে রাজধানীর মাদক ব্যবসায়ীদের সর্বশেষ এই তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়।

রাজধানীতে অভিযানের আগাম তথ্য অনেক পুলিশ সদস্য আগেই মাদক ব্যবসায়ীদের জানিয়ে দেয়। শুধু রাজধানীতে নয়, ঢাকার বাইরেও এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।

গতকাল কাওরান বাজারে অভিযান চলাকালে এক পুলিশ সদস্য ফোন করে মাদক ব্যবসায়ীকে জানিয়ে দেয়। অভিযানের আগাম তথ্য পাচার হওয়ায় অধিকাংশ মাদক ব্যবসায়ী নিরাপদে পালিয়ে যায়।

রাজনীতিক, প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রশাসনের ছত্রছায়ায় থাকায় রাজধানীর মাদক ব্যবসায়ীরা খুবই ক্ষমতাধর। তাদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে নগরীর ৬ শতাধিক স্পটে মাদক কেনাবেচা হচ্ছে।

কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, মাদকের টাকা থানার কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনীতক ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত পাচ্ছেন।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ভাগ না দিয়ে মাদক ব্যবসা করা অসম্ভব। তারা আরো বলেন, রাজধানীর অনেক পুলিশ সদস্যের বাসা ভাড়ার টাকা মাদক ব্যবসায়ী বহন করেন।

শুধু তাই নয়, পুলিশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার মাদক ব্যবসায়ীরা বহন করেন। তাহলে দোষ শুধু আমাদের কেন?

মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে বলে ঘোষণা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল । তিনি বলেন, ‘আমরা মাদকের বিষয়ে অলআউট প্রচেষ্টা হাতে নিয়েছি। এই প্রচেষ্টা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা সে অনুযায়ী কাজ করছি।

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ